মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

আল্লামা সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে আল্লামা বাবুনগরীর শোক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আল্লামা পালনপুরী রহ. অনেক উঁচু মাপের একজন আলেম ও বুজুর্গ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন ইলমী অঙ্গনের একটি উজ্জল নক্ষত্র, প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ। তার দারস-পাঠদান ছিলো অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিত্তাকর্ষক এবং তথ্যপূর্ণ। ইলমী অঙ্গনে কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপনার জন্য তার বিশেষ প্রসিদ্ধি রয়েছে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি দেওবন্দের শাইখুল হাদিস পদে সমাসীন ছিলেন।

‘তার ইন্তেকালে ইলমাকাশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে পড়েছে। তার ইন্তেকালে ইলমী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কভু পূরণ হবার নয়। লেখালেখীর ময়দানেও অসাধারণ খেদমত করে গেছেন তিনি। বিভিন্ন বিষয়ে ছোট বড় প্রায় পঞ্চাশের কাছাকাছি কিতাব রচনা করেছেন তিনি। আমি তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত।’

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ১৯৮০ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের সদ সালা (শতবার্ষিকী) অনুষ্ঠানে আমার আব্বাজান মেশকাত শরীফের বিশ্ববিখ্যাত ব্যখ্যা গ্রন্থ তানজিমুল আশতাতের রচয়িতা আল্লামা আবুল হাসান রহ. এর সাথে আমিও শরীক হয়েছিলাম। সে সময় তিনি আমার আব্বাজান রহ. এর রচিত তানজিমুল আশতাত কিতাবের খুব বেশী প্রশংসা করেছিলেন। কিতাবটিকে তিনি অনেক পছন্দ করেছিলেন। তার বাসায় আব্বাজান ও আমাকে নিমন্ত্রণ করে অনেক আপ্যায়ন করেছিলেন। তার আতিথেয়তায় আমরা সেদিন মুগ্ধ হয়েছিলাম।

অতপর আমার স্বরচিত কিতাব ইসলাম আওর সাইন্স এবং আত-তাওহিদ ওয়াশ শিরক ওআকসামুহুমা কিতাব দুটি তার নিকট পাঠিয়েছিলাম। কিতাব দু'টি পাঠ করে তিনি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন- ‘আমি মনে করতাম জুনায়েদ বাবুনগরী সাহেবের উর্দূ ভাষায় দক্ষতা আছে কিন্তু এখন আরবী ভাষায় লিখিত" আত তাওহিদ ওয়াশ শিরক কিতাবটি পড়ে বুঝতে পারলাম আরবী ভাষায়ও অসাধারণ দক্ষতা ও পাণ্ডিত্য রয়েছে।’ ইসলাম আওয়ার সাইন্স কিতাবে তিনি অত্যন্ত মূল্যবান তাকরিয (অভিমতও) লিখেছিলেন। যা প্রকাশ হয়েছে।

স্মৃতিচারণ করে আল্লামা বাবুনগরী আরও বলেন-গত ৪ আগস্ট ২০১৯ সালে রোববারে আমার মুহতারামাহ আম্মাজান ইন্তেকাল করলে তিনি এ সংবাদ পেয়ে ছাত্রদেরকে নিয়ে একনিষ্ঠভাবে আম্মাজানের জন্য মাগফিরাত ও দারাজাত বুলন্দির জন্য দোয়া করেছিলেন।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা তার সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ