বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৭ মাঘ ১৪৩২ ।। ২ শাবান ১৪৪৭


বাংলাদেশি আলেমদের মতামত অনুসরণ করছে কলকাতার মসজিদগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ সুরক্ষা পদ্ধতি অবলম্বনপূর্বক মসজিদে আজান ও জামাত যথাসম্ভব বজায় রাখবেন। মসজিদ বন্ধ থাকবে না তবে সর্বসাধারণ নিজ নিজ গৃহে অবস্থানপূর্বক সুরক্ষা পদ্ধতি অবলম্বন করে জামাতবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করে নিবেন।

করােনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে এবং মানুষের ব্যাপক মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষার আকস্মিক পদক্ষেপ হিসেবে সর্বপ্রকার জমায়েত বন্ধের পাশাপাশি মসজিদসমূহে পাঁচওয়াক্ত নামাজে সম্মানিত মুসল্লিগণের উপস্থিতি সীমিত ও ক্ষুদ্র পরিসরে রাখার উপরোক্ত পরামর্শ দেন বাংলাদেশের আলেমরা।

এই পদ্ধতি অনুরসরণ করছে ভারতের কলকাতার মসজিদগুলো। করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতে লগডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও লকডাউন ঘোষণার পর আজই প্রথম জুমা। জুমার নামাজ পড়তে মসজিদে না এসে ঘরে জোহর নামাজ পড়তে কলকাতার মসজিদ কর্তৃপক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ।

কলকাতার বিখ্যাত নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, আমরা গত দু’দিন ধরেই মসজিদের সমস্ত দরজা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখছি। জুমার নামাজে বাইরের কাউকে মসজিদে ঢুকতে দেয়া হবে না। কেবল মসজিদের ইমাম, কর্মীরা মিলে নামাজে আদায় করবেন।

একই কথা জানিয়েছেন ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদের কো-ট্রাস্টি শাহিদ আলম। তিনি বলেন, ভিড় ঠেকাতে শুক্রবার বাইরে থেকে কাউকে মসজিদে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। কেবল মসজিদের কর্মীরাই সেখানে থাকবেন।

বঙ্গীয় ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াহিয়া জানিয়েছেন, করোনার সংক্রমণ এড়াতে সারা রাজ্যের সব মসজিদ বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি জানান, মসজিদে আজান চালু থাকবে। ইমাম সাহেব চার-পাঁচ জনকে নিয়ে নমাজ চালু রাখবেন। তবে বাইরের সাধারণ কোনও ব্যক্তিকে আর মসজিদে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। তারা নিজেদের বাড়িতে নামাজ পড়বেন। আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ওই ব্যবস্থা চালু রাখার আহ্বান করেছেন তিনি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর