শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সবার সহায়তায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ স্বপ্ন দেখে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নয়, কাবার ইমামের সতর্কবার্তা আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমিই: আমির হামজা সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আলেমদের অবদান তুলে ধরলেন মাওলানা আরশাদ মাদানী ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন চালু   বরগুনায় ডোবায় পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু দেশে হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

গৌরবদীপ্ত বিজয়ের মাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবু তালহা তোফায়েল।।

১৯৭১। বাঙালি জাতির কাছে এক বিস্ময়ের নাম। বিশ্ব রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস। এর প্রতিটি ক্ষণ যেন ধ্বংস আর সৃষ্টির একেকটি পাণ্ডুলিপি। ১৯৭১ সালে আগুনের লেলিহান শিখায় যখন গোটা পূর্ব পাকিস্তান পুড়ে ছাই হচ্ছিল, ঠিক তখনই নতুনের কেতন উড়িয়ে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি ভূখণ্ড জন্ম নেয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রতি মুহূর্ত যেন ‘বাংলাদেশ’ সৃষ্টির কথা বলে। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর বিজয়ের মাস।

মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনগুলো প্রতিবছর দিনটিকে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসাবে পালন করে থাকে। এবারও তারা দিনটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক রাজনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরণ হয় এ মাসে।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়। স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হবার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাঁথার মাসও এই ডিসেম্বর। এ মাসেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল শামসদের সহযোগিতায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজীর বিশ্বে নেই।

বিজয়ের মাসের প্রথমদিন থেকে বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিজয়ের মাসকে স্বাগত জানিয়ে সমাবেশ, মানববন্ধন, বিজয় র্যালি, মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ১৬ই ডিসেম্বরের কর্মসূচি পালন করা হবে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ