মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

কাশ্মীরী নারীদের ধর্ষণ করছে ভারতীয় বাহিনী: এইচআরডব্লিউ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কাশ্মীরের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)-র এক প্রতিবেদনে এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে যখন বিশ্বজুড়ে ১৬ দিনের একটি কর্মসূচি নেয়া হয়েছে, তখন মানবাধিকার সংস্থাটি এ খবর দিলো।

পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য ডনের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৫ নভেম্বর ওই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ দিনটি নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বকে চলতি বছর ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যাশা করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। কাশ্মীরের মানুষজনের মনোবল ভেঙে দিতে নারীদের নিশানা করেছে ভারতীয় বাহিনী বলে জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সেখানে বলা হয়েছে, কাশ্মীরী নারীদের ধর্ষণ করেও নিয়মিতভাবে দায়মুক্তি পেয়ে আসছে ভারতীয় বাহিনী।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, ‘যুদ্ধ ও শান্তির সময়েও যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। তিনি বলেন, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার অবসান ঘটানোর সময় এখনই। এদিকে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা বিস্তৃত বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োট্টি।

অন্যদিকে অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা গত জুলাইয়ে নথিভুক্ত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। এসবের মধ্যে রয়েছে- বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিনাবিচারে ডিটেনশন, কারাগারে মৃত্যু, জোরপূর্বক নিখোঁজ এবং খারাপ ব্যবহার ও নির্যাতন এবং ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা।

এছাড়াও ওই প্রতিবেদনে আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট, ১৯৯০-র আওতায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী দেয়াকে বিশেষ ক্ষমতার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ