মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

পৃথিবী মানচিত্রে যুক্ত হচ্ছে নতুন দেশ বুগেনভিলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিশ্ব মানচিত্রে আরেকটি নতুন দেশ যোগ হচ্ছে । স্বাধীন দেশ হিসেবে মাথা তুলতে যাচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দ্বীপরাষ্ট্র বুগেনভিলে। শনিবার স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সেখানে। পক্ষে ভোট পড়লে এটি হবে বিশ্বের ১৯৬তম স্বাধীন দেশ।

পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ ঘটবে নতুন আরেক স্বাধীন রাষ্ট্রের। ৭ ডিসেম্বর হবে দ্বিতীয় দফার ভোট। ডিসেম্বরের শেষদিকে জানা যাবে ফলাফল। অধিকতর স্বায়ত্তশাসন না স্বাধীনতা, এ দিনের ভোটে সেই সিদ্ধান্তই নেবে দ্বীপপুঞ্জটির দুই লাখ সাত হাজার বাসিন্দা।

তিন-চতুর্থাংশ ভোটই স্বাধীনতার পক্ষে পড়বে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের। ভোট স্বাধীনতার পক্ষে গেলেও সঙ্গে সঙ্গে সেটি কার্যকর হবে না। এটি আদতে চিহ্নিত হতে পারে বুগেনভিলের স্বাধীনতার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে।

তামা ও সোনার মতো প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দ্বীপপুঞ্জটি আলাদা হয়ে গেলে অন্যান্য প্রদেশও অধিকতর স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতা চাইতে পারে- এই ভয়েই প্রশান্ত মহাসাগরের দেশটি বুগেনভিলের স্বাধীনতার বিরোধিতা করছে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের। দ্বীপপুঞ্জটির ভোটের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও তাকিয়ে আছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

সোলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও কিরিবাতির পাশাপাশি সম্প্রতি প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর বুগেনভিলের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে মনোযোগী হয়েছে বেইজিং। দ্বীপপুঞ্জটির স্বাধীনতার প্রশ্নে এ গণভোট আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপানের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রও অর্থায়ন করেছে।

১৮শ’ শতকে ফরাসি এক অনুসন্ধানকারী দ্বীপপুঞ্জটির খোঁজ পান; ১৯ শতকের শেষভাগে এটি পরিণত হয় জার্মান উপনিবেশে, নাম পায় জার্মা নিউগিনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়া এর দখল নেয়; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন কিছু সময় জাপানের হাতে থাকলেও ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মূলত অস্ট্রেলীয়রাই ছিল ‘বুগেনভিলের’ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ।

ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার সময় এ দ্বীপপুঞ্জটি সব সময়ই সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। জার্মানরা তাদের শাসন শুরুর ২১ বছর পর ১৯০৫ সালে প্রথম বুগেনভিলে প্রশাসনিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে।- কালের কণ্ঠ।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ