মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

পরিবেশ আন্দোলনে ভূমিকা রাখায় শিশু শান্তি পুরস্কার পেল গ্রেটা থানবার্গ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আন্তর্জাতিকভাবে শিশু শান্তি পুরস্কার পেল বিশ্বজুড়ে সাড়াজাগানো তরুণ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থানবার্গ। পরিবেশ আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় গতকাল বুধবার তাকে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

এছাড়া ক্যামেরুনের শান্তিকর্মী দিভিনা মালুমকেও এই পুরস্কার দেয় ডাচ সংস্থা কিডসরাইট।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে গ্রেটা থানবার্গ বিশ্বে চলমান জলবায়ু আন্দোলনের নেতায় পরিণত হয়েছেন। ২০১৮ সালের আগস্টে প্রতি শুক্রবার সুইডেনের পার্লামেন্টের সামনে একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি।

ওই প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, জলবায়ুর জন্য স্কুলে ধর্মঘট। এই কিশোর জলবায়ু আন্দোলনকর্মীর ডাকে ‘ফ্রাইডেজ ফর ফিউচার’ কর্মসূচিতে সাড়া দিয়েছেন বিশ্বের কয়েক লাখ মানুষ।

থানবার্গ নিজে উপস্থিত থেকে শান্তি পুরস্কার নিতে পারেননি। কারণ জাতিসংঘের এক সম্মেলনে যোগ আটলান্টিক পাড়ি দিচ্ছেন তিনি। এর আগে সুইডেন থেকে চিলির উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন গ্রেটা।

তবে নৌকা, ট্রেন আর ইলেকট্রিক গাড়িতে করে প্রায় অর্ধেক পথ পাড়ি দেওয়ার পর জানা যায় ভেন্যু মাদ্রিদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আর এতেই বিপাকে পড়েন গ্রেটা। কেননা, কার্বন নিঃসরণ করায় যথাসম্ভব বিমান বা জ্বালানি চালিত যান এড়িয়ে চলেন তরুণ এই জলবায়ু কর্মী। ফলে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে মাদ্রিদ যাচ্ছেন তিনি।

তিনি এক বার্তায় জানিয়েছেন, এই পুরস্কারে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও সম্মানিত বোধ করছেন। তারহয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন জার্মান জলবায়ুকর্মী লুইসা মারি নুবার। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু সংকটই এই সময়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

অন্যদিকে দিভিনা মালুমকে পুরস্কার দেওয়া হয় বোকো হারামের বিরুদ্ধে তার শান্তিপূর্ণ লড়াইয়ের জন্য।

তিনি বলেন, ‘ক্যামরুন ও আফ্রিকায় নীতিনির্ধারকরা শিশুদের ভুলে গেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা ভুলে গেছেন। আমি সব শিশুদেরকে এই বিষয়ে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানাই।

২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভারতীয় কৈলাশ সত্যার্থী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া জয়ীরা তাদের আন্দোলনের জন্য ১ লাখ ইউরোও পাবেন। এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন পাকিস্তানের অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজায়ী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ