মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

অবশেষে বাবরি মসজিদ নিয়ে মুখ খুললেন মাওলানা মাহমুদ মাদানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাবরি মসজিদ মামলার রায় ভারতের সংখ্যালঘুদের আস্থা দুর্বল করে দেয়, ন্যায়বিচারের পরিবর্তে অন্যায় করা হয়েছে। অবশেষে বাবরি মসজিদের রায়ের বিষয়ে মুখ খুলে এ কথাগুলো বলেন, মাওলানা মাহমুদ মাদানী।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদ মাদানী বাবরি মসজিদ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায় সম্পর্কে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সত্যকে এড়িয়ে গিয়ে এ রায় দিয়েছেন বলে অভিহিত করেছেন। গতকাল রোববার তিনি এ কথা বলেন।

একদিকে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন মাননীয় বিচারপতি তাদের রায় অনুসারে বাবরি মসজিদের অভ্যন্তরে একটি প্রতিমা স্থাপন করা এবং পরে এটি ভেঙে ফেলা ভুল এবং বানাওয়াট কথা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এ রায় কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নিখুঁত বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। মুসলিমদের আশা প্রত্যাশা এমন ছিলো না। আমাদের মজবুত দলিল উপস্থাপনের পরও এমন রায় আমরা আশা করিনি।

এ সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের সংখ্যালঘুদের আস্থাকে দুর্বল করেছে, তারা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে অন্যায় আচরণ করেছে।

মাওলানা মাদানী বলেন, যখন ভারত স্বাধীন হয়েছিল এবং ভারতীয় রীতিনীতি আস্তে আস্তে চালু হচ্ছিল সেখানে। তখনকার লোকেরা এ কথা স্বীকৃতি দিয়েছে সেখানে একটি মসজিদ ছিল, লোকেরা নামাজ পড়ত।

ভারতের সংবিধানে সমর্থন এবং মুসলমানদের অধিকার ও ধর্মের স্বাধীনতা রক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া সুপ্রিম কোর্টের কর্তব্য, বাবরি মসজিদে নামাজের অধিকার অন্তর্ভুক্ত করে মুসলিমদের তা ফিরিয়ে দেয়া।

মাওলানা মাদানী মুসলমানদের প্রতি অনুরোধ করেন, তারা যেনো ধৈর্য ধারণ। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত এবং বর্তমান পরিস্থিতি সত্যই মুসলমান এবং দেশের অন্যান্য ন্যায়বিচার প্রত্যাশী মানুষের জন্য ধৈর্যের একটি পরীক্ষা।

আমরা আরও ধৈর্য সহকারে পরিস্থিতি সহ্য করে যাবো। সরকারের কাছে প্রত্যাশা করবো তারা যেনো বিষয়টি পূনর্বিবেচনা করেন। তারা যদি ন্যায় বিচার না করে আমরা আল্লাহর কাছে ন্যায় বিচার চাচ্ছি। আল্লাহর আমাদের ন্যায় বিচার করবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ