বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত হারামাইনে এ সপ্তাহে খুতবা দেবেন শায়খ মাহের ও শায়খ হুসাইন বিকেএম পল্টন থানা শাখার সভাপতি বদর ও সম্পাদক মনির ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ ও হাসপাতালগুলোকে জরুরি নির্দেশ ৭ দলের সঙ্গে বসছে হেফাজত, আজ চোখ থাকবে বাবুনগরে শাপলা হত্যাকাণ্ড: হাসিনাসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা সাবেক আমির হাসপাতালে, দেখতে গেলেন বিকেএম মহাসচিব সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া, ব্যাখ্যা চাইল পাকিস্তান সরকার অনলাইনের দীনদার, পরিচয় নাকি মুখোশ?

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নেই প্রস্তুতি, কিছুই জানে না বাংলাদেশ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বলা হচ্ছে আগামী ২২ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত যাবে তিন হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গার একটি দল৷ ব্রিটিশ গণমাধ্যম রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হচ্ছে- অথচ বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না৷ আবার আজ শনিবার পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে তেমন কোনো প্রস্তুতিও দেখা যায়নি৷

আমিও আপনার মতো পত্রিকায় খবর পড়ে জেনেছি, ডয়চে ভেলেকে এ কথা বলেছেন প্রত্যাবাসনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম৷ তিনি কক্সবাজারে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এবং সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব৷

তিনি বলেন, আসলে গত ৯ আগস্ট থেকে সরকারি অফিস-আদালত বন্ধ রয়েছে৷ ঈদ, শোক দিবস আর সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এই লম্বা সময় ধরে বন্ধ৷ মাঝে একদিন খোলা থাকলেও কোনো কাজ হয়নি৷ ফলে আমরা ছুটির মধ্যেই আছি৷ রোববার অফিস খুললে বিষয়টি বুঝতে ও জানতে পারব।

আবুল কালাম আরো বলেন, রয়টার্সের খবর পড়ে যেটা জানলাম, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তিন হাজার ৫৪০ জনের ব্যাপারে ছাড়পত্র দিয়েছে৷

এখন শুধু ছাড়পত্র দিলেই তো হবে না, প্রত্যাবাসনের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত৷ যাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে, তারা আসলে যেতে চায় কি-না, সেখানে যাওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি-না? এমন অনেক প্রশ্ন আছে৷ রোববার অফিস খোলার পর পরিস্থিতি বোঝা যাবে৷

এদিকে, হঠাৎ করে প্রত্যাবাসনের খবরে উদ্বিগ্ন রোহিঙ্গারাও৷ তারা বলছেন, কীভাবে কী হচ্ছে তারা বুঝতে পারছেন না৷

রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সবেমাত্র রোহিঙ্গা শিবির ঘুরে গেছে৷ সে সময় মিয়ানমারের সঙ্গে আরো আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হলে তারা (মিয়ানমার প্রতিনিধি দল) রাজি হয়৷

কিন্তু সেই আলোচনার আগেই হঠাৎ প্রত্যাবাসনের দিন-তারিখ ঘোষণা করার অর্থ হলো- মিয়ানমারের উদ্দেশ্য ভালো নয়৷ এমন খারাপ উদ্দেশ্যের মধ্যে রোহিঙ্গারা আবারও অত্যাচারিত হতে ফিরে যেতে চায় না৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ