সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

রাখাইনে ভারতের বানিয়ে দেয়া বাড়ী মুসলিদের জন্য না হিন্দুদের জন্য এ নিয়ে বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য বানানো ২৫০টি ঘর দেশটির সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতেই তাদের এ উদ্যোগ বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন ভারতীয় একজন কর্মকর্তা।

জানা যায়, ভারতীয় ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফেরার পরিবেশ তৈরি করতেই তারা আড়াই কোটি ডলারের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে, যার অংশ হিসেবে সেখানে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে।

উত্তর রাখাইনের শোয়ে জার, কেইন চং টং এবং নান্ট থার টং গ্রামে বানিয়ে দেওয়া ওই ২৫০টি বাড়ি চলতি সপ্তাহে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন মিয়ানমারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার।

ভারত কেবল হিন্দু রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়িগুলো বানিয়ে দিয়েছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও মিয়ানমার সরকার তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমান রোহিঙ্গারাও সেখানে আশ্রয় পাবে।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, তাদের দেওয়া সহযোগিতার টাকায় রাখাইনে স্কুল ও বাজার নির্মাণের মতো ২১টি প্রকল্পের একটি প্রস্তাবিত তালিকাও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলে আসছে, রাখাইনে নিপীড়ন বন্ধ না হলে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তেমন কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে দুর্দশার মধ্যে দিন কাটলেও রোহিঙ্গারা ফিরতে চাইছে না। কারণ তাদের ধারণা, ফিরে গেলে আবারো তাদের নিপীড়নের শিকার হতে হবে। সেজন্য জাতিসংঘের মতো বাংলাদেশও মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরার অনুকূল পরিবেশ তৈরি ওপর জোর দিয়ে আসছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ