সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে নামাজের সুন্দর ব্যবস্থা, প্রশ্ন উঠছে মসজিদ ভাঙা নিয়ে মাতুয়াইলে ডাকাতের হামলার শিকার খেলাফত আন্দোলনের নেতারা হজের কমে যাওয়া কোটাও পূরণ হওয়া নিয়ে শঙ্কা ইসলামি বইমেলায় প্রথমবার স্থান পেল ‘শাপলা কর্নার’  স্পেনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল ক্যানসারে মারা গেলেন তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব কুমিল্লায় বাস-ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষ, আহত ৩০ ইসলামী ছাত্রসমাজের নতুন সভাপতি অলিউল্লাহ আরজু, মহাসচিব ঈসা খান ঢাকায় হেফাজতের জরুরি সভা, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের দাবি

রাখাইনে ভারতের বানিয়ে দেয়া বাড়ী মুসলিদের জন্য না হিন্দুদের জন্য এ নিয়ে বিতর্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য বানানো ২৫০টি ঘর দেশটির সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতেই তাদের এ উদ্যোগ বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন ভারতীয় একজন কর্মকর্তা।

জানা যায়, ভারতীয় ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফেরার পরিবেশ তৈরি করতেই তারা আড়াই কোটি ডলারের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে, যার অংশ হিসেবে সেখানে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে।

উত্তর রাখাইনের শোয়ে জার, কেইন চং টং এবং নান্ট থার টং গ্রামে বানিয়ে দেওয়া ওই ২৫০টি বাড়ি চলতি সপ্তাহে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন মিয়ানমারে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার।

ভারত কেবল হিন্দু রোহিঙ্গাদের জন্য বাড়িগুলো বানিয়ে দিয়েছে বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও মিয়ানমার সরকার তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমান রোহিঙ্গারাও সেখানে আশ্রয় পাবে।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, তাদের দেওয়া সহযোগিতার টাকায় রাখাইনে স্কুল ও বাজার নির্মাণের মতো ২১টি প্রকল্পের একটি প্রস্তাবিত তালিকাও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দিয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলে আসছে, রাখাইনে নিপীড়ন বন্ধ না হলে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তেমন কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি।

কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে দুর্দশার মধ্যে দিন কাটলেও রোহিঙ্গারা ফিরতে চাইছে না। কারণ তাদের ধারণা, ফিরে গেলে আবারো তাদের নিপীড়নের শিকার হতে হবে। সেজন্য জাতিসংঘের মতো বাংলাদেশও মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরার অনুকূল পরিবেশ তৈরি ওপর জোর দিয়ে আসছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ