আওয়ার ইসলাম: চীন ১০ লাখেরও বেশি মুসলমানকে বন্দিশিবিরে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এশীয় নীতি বিষয়ক পর্যবেক্ষক ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি র্যান্ডল শ্রীভল এমন অভিযোগ করেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ধারণা করা হচ্ছে, র্যান্ডল শ্রীভলের এই বক্তব্যের কারণে চীন-মার্কিন সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। অবশ্য ওয়াশিংটন আগেও বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মন্তব্য করেছে।
তবে চীন বলছে, উইঘুরসহ অন্যান্য মুসলমানদের আটক নয়, বরং তাদের পুনঃশিক্ষণ তথা বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তারা কাজকর্ম করে দারিদ্র্য দূর করতে পারে এবং ‘সন্ত্রাসবাদী ইসলামে’ জড়িয়ে না পড়ে।
কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং চীনের জিনজিয়াং অঞ্চল থেকে পালিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া মুসলিমরা বলছেন, বন্দিশিবিরগুলোতে স্থানীয় মুসলমানদের আটকে রেখে চীনের কমিউনিস্ট আদর্শের প্রতি তাদের দীক্ষিত করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে মসজিদ বন্ধ, দাড়ি-টুপি পরার ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে মুসলমানদের সংস্কৃতি ধ্বংস করা হচ্ছে।
চীন আটক মুসলমানদের সংখ্য ১০ লাখ বললেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই পর্যবেক্ষক আরো বলেন, বন্দিশিবির থেকে বেরিয়ে আসা মুসলমানরা নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন চীনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। বন্দিশিবিরে তাদের গাদাগাদি করে রাখা হয় এবং নিপীড়ন চালানো হয়। এমনকি এর ফলে অনেকেই আত্মহত্যা করার মতো সিদ্ধান্তও নিয়েছেন।
-এটি