বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

এবার মিলল বিশ্বের দীর্ঘতম লবণ গুহার খোঁজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ডেড সি বা মৃত সাগরের কাছেই বিশ্বের দীর্ঘতম লবণ গুহা আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। এর আগে ইরানের নামাকদান গুহার দখলে ছিল এ রেকর্ড। ইসরাইলে অবস্থিত এ গুহাটির নাম মালহাম।

মাটির নিচে ১০ কিমি. পর্যন্ত বিস্তৃত এটি। এর ব্যাপ্তি এতটাই যে, একে আস্ত দেশ বলা শুরু করেছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। ১০০টিরও বেশি কক্ষ রয়েছে গুহায়। একেকটি কক্ষ প্রায় ৫ হাজার ৬৮৫ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

গুহাটি ইসরাইলের বৃহত্তম সোদম পাহাড় বেয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কাছে মৃত সাগর বা ডেড সিতে গিয়ে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। দু’বছর আগে ইসরাইলের ইয়োয়াভ নেগেভ ফ্রামকিন এই গুহা খোঁজার অসমাপ্ত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেন। এতে তিনি বুলগেরিয়ার গুহা গবেষকদের অন্তর্ভুক্ত করেন।

ইউরোপীয় ৮টি এবং স্থানীয় ২০টি দল নিয়ে নেগেভ একটি টিম তৈরি করেন। এ দলের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বোয়াজ ল্যান্ডফোর্ড ও তার দল। ১৫০০ দিন ধরে গুহার মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে। যদিও এ স্থানটি প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল ৩০ বছর আগে বলে জানান গবেষক এফ্রেম কোহেন।

তবে রেডিওকার্বন ডেটিং বলছে, সাত হাজার বছরের পুরনো গুহা এটি। লবণের সঙ্গে আকরিক আর পানি মিশে তৈরি হয়েছে এটি।

সোদম পাহাড়কে একটি বিশাল লবণের স্তূপ বলা যেতে পারে। পানিতে লবণ গলে দীর্ঘদিন ধরে জমে জমে ডেড সি বা মৃত সাগরের দিকে গুহার রূপ নিয়েছে। মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধুলোর কারণে গুহার অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে বিচিত্র নকশা। বিশালাকার নুনের ফলক, ধুলো আর খনিজপদার্থ মিলে অসাধারণ ভাস্কর্য তৈরি হয়েছে গুহায়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ