বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে পদত্যাগের চ্যালেঞ্জ মাওলানা আনাস মাদানীর’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের বিতর্কিত মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভীর পক্ষ নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দ বিরোধী অবস্থান নেয়ায় মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীর ‍চট্টগ্রামের লালখান বাজার মাদরাসার কেন্দ্রীয় পরীক্ষা স্থগিত করেছে হাইআতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে হাউআতুল উলয়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছেন আল্লামা আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী। লালখান বাজার মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি হারুন ইজহার বিষয়টির সুরাহা করতে বোর্ড নেতাদের ফোন দিলে মাওলানা আনাস মাদানীর সঙ্গে ঝামেলা মেটানোর পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে চলছে তীব্র সমালোচনা।

লালখান বাজার মাদরাসার বোর্ড পরীক্ষা স্থগিতের কী কারণ? হাটহাজারী আর লালখান বাজারের পুরনো দ্বন্দ্ব? নাকি ভিন্ন কিছু এসব জানতে হাটাহাজারী মাদরাসার সহকারী শিক্ষাসচিব মাওলানা আনাস মাদানীর সঙ্গে কথা বলেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব

লালখান বাজার মাদরাসার পরীক্ষা স্থগিতে আপনার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ, বিষয়টি একটু পরিস্কার করুন।

চট্টগ্রামের লালখান বাজার মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীর তাবলিগ ইস্যুতে ভূমিকা জনসম্মুখে স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় হাইআতুল উলয়ার বৈঠকে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেন সদস্যরা। এখানে আমার ব্যাপারে কোনো বিষয় যুক্ত নেই। আমি মিটিংয়ে লালখান মাদরাসা নিয়ে কোনো কথাই বলিনি। তার দেওবন্দ বিরোধী অবস্থান স্পষ্ট হওয়ায় সদস্যরা এ সিদ্ধান্ত নেন।

একই সঙ্গে বৈঠকে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদের মারদাসার বিষয়ে আলোচনা ওঠে। তবে উনার অবস্থান যেহেতু এখনো ক্লিয়ার না তাই সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। কমিটি করা হয়েছে।

মাওলানা আনাস মাদানী বলেন, মুফতি হারুন ইজহার যে অভিযোগ করেছেন আমি চ্যালেঞ্জ করছি এমন কোনো কথা মিটিংয়ে হোক বা ইনফেরাদি কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে আমার প্ররোচনায় এটা হয়েছে তাহলে আমি হাইআতুল উলয়া থেকে পদত্যাগ করবো।

তিনি আরও বলেন, লালখান মাদরাসার মারকাজ বন্ধ করা হয়েছে। ছাত্রদের পরীক্ষা বন্ধ করা হয়নি। তারা অন্য কোনো মারকাজ থেকে পরীক্ষা দিতে পারবে। ছাত্রদের তো কোনো দোষ নেই। তারা কেন ভোগান্তির শিকার হবে?

তাছাড়া লালখান বাজারের মহিলা মাদরাসা শাখার মারকাজ এখনো বহাল রয়েছে। মহিলা মাদরাসার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

কিন্তু তারা আপনার প্রতি এমন অভিযোগ কেন করবে? পুরনো