রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডি-৮ মহাসচিবের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য জোরদারে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে: আসজাদ মাদানি নতুন প্রজন্মকে হাদিস অধ্যয়নে আগ্রহী করতে ‘হাসানাহ হাদিস অলিম্পিয়াড ২০২৭’ সিলেট জেলা দক্ষিণ জমিয়তের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন তাকওয়াই দুনিয়া-আখেরাতের সফলতার পথ: মসজিদে নববীর খতিব ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহীর কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন শিশুর অতিরিক্ত জেদ ও রাগ নিয়ন্ত্রণে কী আমল করবেন?

আরবী ভাষাকে 'আরবী' বলার কারণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অভিধান থেকে ‘আরবী’ শব্দের দু'টি অর্থ আমরা পেয়ে থাকি- (১) শান্ত, ভদ্র, সুশীল, সুবােধ, বাকনিপুণ ভাষা। (২) মরু সেমেটিয়দের ভাষা।

আমরা যদি এই দু' অর্থের সমন্বয় করে বলি যে, অন্যান্য সেমেটিক ভাষা গুলির মধ্যে মরু সেমেটিকদের ভাষা শান্ত, ভদ্র, সুশীল, সুবােধ, বাক নিপুণ বলে তার নাম আরবী- তবে নিশ্চয় যথার্থ হবে।

আরবী ভাষার প্রাচীনত্ব কতটুকু, পৃথিবীর আদি ভাষা কি?

ভাষা বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর আদি ভাষা সম্পর্কে চূড়ান্ত ফয়সালা এখনও দিতে পারেননি। ইসলামী বিশ্বাস, পৃথিবীর আদি ভাষা আরবী-এটাই আদমের ভাষা। ভাষা বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত অন্বেষণে হয়ত তাই বেরিয়ে আসবে।

আরবী বর্ণ অক্ষরের জনক হিসেবে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন- নবী হযরত ইসমাইল আ.। আবার অনেকে বলেন- ইসমাইল বংশের ‘আদনান’ এর কথা। ঐতিহাসিক মসউদির মতে- “বনী মসিনের ছেলেরা আরবী বর্ণ অক্ষরের আবিস্কারক; তাদের নাম- আবজাদ, হুত্তি, হুওয়জ, কালিমন। ওদের নামানুসারে আরবী বর্ণ অক্ষরের নাম করণ করা হয়েছে।

ইবনে খালদুনের মতে- “পৃথিবীর প্রথম লেখা শুরু করেন দক্ষিণ আরবের লােকেরা।” (আরবী সাহিত্যের ইতিহাস, পৃঃ ১০৪)।

ভাষা বিজ্ঞানী ড. মােহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন- ‘আরবী লিপি শামী লিপি থেকে এসেছে এবং গ্রীক ও লাতিন বর্ণমালাও ঐ শামীর অনুকরণে রচিত।’ (ডঃ মােহাম্মদ শহীদুল্লাহর সম্বর্ধনা গ্রন্থ; আরবী বর্ণমালা)।

সিনাই উপদ্বীপ থেকে আবিস্কৃত বর্ণলিপিকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম বর্ণ লিপি। গবেষকদের মতে, ‘খ্রিষ্টপূর্ব ১৮৫০ অব্দে সম্ভবত এই লিপি গুলি খােদাই করা হয়েছিল।’

আধুনিক গবেষকরা মনে করেন- “ফিনিশিয়রাই সর্ব প্রথম লেখার ক্ষেত্রে বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি চালু করেন এবং তারা মিশরের সাংকেতিক চিত্রলেখা উপাদান থেকেই এই পদ্ধতির ভিত্তি গ্রহন করেছিলেন। আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই ফিনিশিয়দের মূল ধাত্রী ভূমি আরব।

ফিলিপ কে, হিট্টি লিখেছেন- প্রাচীন সেমেটিক ছিলেন একজন আরব, ইহুদী নয়। কবির মূল নাম “আয়য়ােৰ" বা “আয়ুব"। তার কবিতার পটভূমি বিচার করলেই বুঝা যায়, তা যে উত্তর আরবীয়।”

তিনি আরও লিখেছেন প্রাচীন হিব্রু কবিতায় আরবীর প্রভাব পাওয়া যায়। মধ্য যুগের হিব্রু ব্যাকরণ আরবী ব্যাকরণ রীতি মেনে বিন্যস্ত করা হয়।" (হিস্টি অব দ্যা আরব, ফিলিপ কে, হিট্টি)।

(সৈয়দ মবনু রচিত জিয়ারতে মক্কা-মদিনা থেকে সংগৃহীত)

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ