শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ ।। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সুদানে মৃত্যুবরণ করা সেনা সদস্য মহিউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন গহরপুরী রহ.কে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান বিএনপি একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ সীমান্তে ৫ ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ‘শিক্ষকরাই আগামী প্রজন্ম গড়ার প্রধান কারিগর’ সীমান্তে পুশইন ইস্যুতে সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়: মাওলানা ইউনুস আহমদ ঢাকাসহ ১৮ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন রোববার এল‌জি‌বিটি মতবাদ বনাম সমকা‌মিতা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে উত্তাল দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

‘নারীদের ইসলাম শিক্ষায় কওমি মহিলা মাদ্রাসা অসামান্য অবদান রাখছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জামিয়া উম্মুলকোরা মহিলা মাদ্রাসা ও আলনূর কালচারাল সেন্টার বাংলাদেশ নোয়াখালী ইউনিটের উদ্যোগে ইসলাহী মজলিশ ও সিরাতুন্নবী সা. বিষয়ক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১ ডিসেম্বর মাইজদি উম্মুলকোরা মাদ্রাসা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলনূর কালচারাল সেন্টার কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী পরিচালক ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইউসুফ নূর।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফ।

প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট মুফাসসিরুল কুরআন আল্লামা মুস্তাকুন্নবী। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা জুনাইদ মাহমুদী ও মাওলানা আলমগীর আল আমান।

মহিলা কর্ণার পরিচালনায় ছিলেন মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক আলেমা ফাতেমা জুনাইদ।

বক্তাগণ বলেন,পুরুষ মাদ্রাসার পাশাপাশি কাওমি মহিলা মাদ্রাসাগুলোর অবদানও সর্বজন স্বীকৃত। মহিলাদের মাঝে ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সর্বোপরি ইসলামি জ্ঞান বিস্তারে কওমি মহিলা মাদ্রাসাগুলো অসামান্য অবদান রেখে চলেছে।

মুফতি আবু ইউসুফ বলেন, শুধু বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকেই সাড়ে ৭ হাজার মহিলা মাদ্রাসার নিবন্ধন রয়েছে। জাতির জন্য আদর্শ মা ও গৃহিণী সৃষ্টিতে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনন্য।

মুফতি মুশতাকুন্নবী বলেন, আমাদের আত্মশুদ্ধির ব্যাপারে সর্বাগ্রে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ আত্মশুদ্ধি বিহীন কোন আমল ও প্রচেষ্টা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়না।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা ইউসুফ নূর বলেন, কাওমি মাদ্রাসা জাতির জন্য খোদায়ী রহমতের আধার। পৃথিবীর কোন দেশে কাওমি মাদ্রাসার মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই বললেই চলে।

তিনি আরো বলেন, একসময় মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনাকে হারাম মনে করা হত। কিন্তু আজকে প্রমাণ হয়েছে সেই ধারণা ছিল ভুল। মহিলা কাওমি মাদ্রাসার কল্যাণে আমাদের মায়েরা ইলম ও আমল শিখছেন, যা ইতিপূর্বে কল্পনাও করা যেতো না।

তিনি আর‍ো বলেন, আলনূর কালচারাল সেন্টার একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতি মূলক সংগঠন। সমাজের সর্বস্তরে সুস্থ সংস্কৃতি ও গঠনমূলক সৃজনশীল সাহিত্য সৃষ্টির পাশাপাশি গণজাগরণ মূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ আলনূর সেন্টারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কাতার, আমেরিকা ও বাংলাদেশে এর কার্যক্রম চলছে।

তিনি বলেন, মাদ্রাসা এবং দ্বীনি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে আমাদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখা সময়ের দাবী।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেক নবী-রাসুলের দাওয়াতি মিশনে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের সহযোগিতা ইতিহাস স্বীকৃত। নারীদের অংশগ্রহণ ব্যতীত কোন দ্বীনি ও সামাজিক আন্দোলন সফল হতে পারেনা। মাদ্রাসার পরিচালক জুনাইদ মাহমুদী মাদ্রাসার অব্যাহত উন্নতির জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

মাওলানা নজির আহম্মেদ সাহেবের দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

এর আগে আলনূর সেন্টারের পক্ষ থেকে বিজয়ী ছাত্রীদের নগদ অথ, আলকুরআন ও বইপত্র এবংসকল অংশগ্রহণকারীর হাতে শান্তনা পূরস্কার তুলে দেয়া হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ