মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ।। ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে সাভারে স্থানান্তর, অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে ১৩ সদস্যের কমিটি ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ছাড় করছে যুক্তরাষ্ট্র হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ হাজি  ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেওয়া হবে’ যুবলীগের মিছিল থেকে পুলিশকে হত্যার হুমকি, গ্রেপ্তার ৩৪ বাজেটে শাপলা শহীদদের স্বীকৃতি না থাকায় প্রশ্ন তুললেন মাহবুবা হাকিম এমপি আজ শেখ জনূরুদ্দীন (রহ.) দারুল কুরআন মাদরাসায় বুখারির দরস দেবেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিন’ মসজিদ উচ্ছেদ বন্ধে অমিত শাহের হস্তক্ষেপ চাইলেন ওয়াইসি জমিয়তের পল্টন থানার আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডলারের কাছে হেরেই যাচ্ছে চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এক দশকে মার্কিন ডলারের বিপরীতে চীনা মুদ্রা ইউয়ানের মান সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর এই পতনকে সর্বোচ্চ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের মান আর কত তলানিতে পৌঁছাবে তা বিনিয়োগকারীদের মনে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার এশিয়ার বাজারে এক ডলার ৬ দশমিক ৯৭ ইউয়ানে লেনদেন হতে দেখা যায়। ২০০৮ সালের মে মাসের পর যা সর্বোচ্চ পতনে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, গত জানুয়ারি থেকে প্রায় টানা কমেছে ইউয়ানের মান। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ট্যাক্স আরোপের বাণিজ্য যুদ্ধ, মার্কিন সুদের বিষয়সহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে এ সময়ে ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের মান ৯ শতাংশের বেশি পড়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হতে পারে। সোমবার এমন ইংগিত আসার পরই ইউয়ান আরও এক ধাপ পতনের দিকে ধাবিত হয়।

কারণ ব্লুমবার্গ নিউজ বিনিয়োগকারীদের সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে, দুই দেশের প্রধানরা যদি খুব শিগগির বৈঠকে না বসে তবে হোয়াইট হাউজ ডিসেম্বরের মধ্যে চীনের পণ্যে আরও শুল্ক বসাতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে তারা চীনের চিপ নির্মাতা কোম্পানিগুলোর কাছে আমেরিকান পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করছে।

মুদ্রার বিনিময় হারে এখন ডলারের বিপরীতে ইউয়ান ৭- এর দিকে ছুটছে। যা বিনিয়োগকারীদের স্নায়ুচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ট্রাম্পের নতুন হুমকি বিনিয়োগকারীদের আরও বিপদে ফেলে দিতে পারে।

হংকংয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘দাইউয়া ক্যাপিটাল মার্কেট’র অর্থনীতিবিদ কেভিন লাই বলেন, ইউয়ানের মান কমতে কমতে ৭ ছাড়িয়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা বিপদে পড়বে। তারা তখন আর কমফোর্ট জোনে থাকবে না। তখন দেখবেন মার্কেটে সেলিং প্রেসার বাড়ছে।

ইউয়ানের মূল্যের এই অবনমন চীনের অর্থনীতি এবং অর্থবাজারকে কাঁপিয়ে তুলতে পারে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে চীনে ইউয়ানের ছড়াছড়ি দেখা যায়, কারণ বিনিয়োগকারীরা মনে করেছিল ইউয়ানের মান ধসে যাবে। শেষমেশ কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয় চীন।

কিন্তু রিসার্চ ফার্ম ‘ক্যাপিটাল ইকোনোমিকস’র বিশ্লেষকরা দাবি করছেন, অর্থ ঢালা নিয়ে সরকারের আপাতত কোনও চিন্তা নেই। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে ইউয়ানের মান যে কমছে তা নিয়ে কিছুটা দুঃচিন্তা রয়েছে।

মহানবির কটূক্তিতে ফাঁসির আদেশ হওয়া এশিয়া বিবির বেকসুর খালাস!

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ