শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে শেষ হবে: ট্রাম্প সমাজের অনাচার-দুর্নীতি দূর করতে আত্মশুদ্ধির বিকল্প নেই: পীর সাহেব বরুণা খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলন শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে প্রতারণা ও সাংঘর্ষিক: হেফাজত সিলেটে খেলাফত যুব মজলিসের জনশক্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের নতুন কমিটি মেহফিলে উলফাত: মানিকগঞ্জে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান জাতীয় তাফসীর পরিষদের মহাসচিব আইসিইউতে, রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ওমরাযাত্রীদের জন্য ৯ ভাষায় ৩৩ লাখের বেশি সচেতনতামূলক বার্তা সৌদির শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিবের উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সম্পাদক পরিষদের কাছে কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী

‘‘কেন আমরা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরোধিতা করছি’’ শিরোনামে মিডিয়ায় প্রকাশিত আপনাদের অনেকগুলো বক্তব্যই হয়তবা সমর্থনযোগ্য অথবা জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্য।

সুতরাং আমরা এ নিয়ে কোন কথায় যাব না বা কথা বাড়াতে ও চাই না। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় অন্যত্র। যে প্রশ্নের যথার্থ উত্তর খুঁজে পাওয়া খুবই জরুরি এবং এই উত্তর খুঁজে পেলেই আমরা মনে করব যে, আপনারা যে বক্তব্য নিয়ে এগুচ্ছেন, তা সদিচ্ছা প্রসূত।

আপনারা অবগত আছেন, আধুনিক গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যক্তিমানুষের অধিকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, তা সে ব্যক্তিমানুষ বড় কি ক্ষুদ্র তা বিবেচ্য নয়। কোন মানুষকে অপবাদ দিয়ে, অপতথ্য দিয়ে বা, কোন সংগঠনকে অপবাদ বা অপতথ্য দিয়ে সমাজ সম্মুখে হেয় প্রতিপন্ন করার কোন অধিকার কি কেউ রাখেন, তা তিনি বা তারা যতই শক্তিশালী হোন না কেন?

অথচ প্রায়শই দেখা যায় যে, ‘‘তাঁরা তাঁদের ইচ্ছামতো বক্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন এবং জনমত গড়ে তুলতে পারবেন’’ এ মতের আড়ালে কেউ কেউ মিথ্যা, বানোয়াট ও যাচ্ছে তাই বাজে বক্তব্য রেখে ব্যক্তিমানুষ, সংগঠন প্রভৃতির বিরুদ্ধে তথাকথিক জনমত গড়ার নামে জনগণকে সত্য জানার অধিকার বঞ্চিত রেখে কাজ করে চলেছেন। এবং এই ক্ষেত্রে সম্পাদক পরিষদের বক্তব্য কি হবে?

অনেক সময় দেখা যায়, যত্র তত্র, যখন ইচ্ছে তখন অনেকেই বিভ্রান্তিকর কিংবা অসত্য অপতথ্য প্রচার করে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিসাধন করে থাকে। মিডিয়াগুলো নিয়ম-অনুযায়ী যাচাই-বাচাই করে থাকে বলে প্রকাশ। যাচাই-বাচাই করে পরবর্তী প্রতিবাদ কিংবা ভুল স্বীকার করে থাকে অনেক সময়।

আমরা মনে করি, শুধু প্রতিবাদ ছেপেই দায় এড়ানোর প্রয়াস কোন কাজের কথা নয়। অপতথ্য, মিথ্যা, বানোয়াট এবং এই ধরনের অপরাধমূলক কাজের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে তার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে যথোপযুক্ত প্রতিকার খুঁজে পাওয়া।

তাই যা ইচ্ছে তা নয়, “বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যের কষ্ঠি পাথরে” দাঁড়াতে পারে এমন তথ্য প্রকাশে যত্নবান হওয়াই সংবাদপত্র ও মিডিয়ার অধিকার হওয়া উচিৎ।

যাঁরা প্রভাবিত হয়ে ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে কাজ করে তাঁদেরকে উপযুক্ত আইনের আওতায় নিয়ে আসার সুযোগ থাকা উচিৎ। এবং এই আলোকেই যদি আমাদের সম্পাদক পরিষদ সামগ্রিক একটি অবস্থান গ্রহণ করেন তবে তা যুক্তিগ্রাহ্য ও গ্রহণযোগ্য হতে পারে, অন্যথায় নয়।

লেখক: মুক্তিযোদ্ধা। সংসদ সদস্য। সদস্য, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সম্পাদক, পাক্ষিক মত ও পথ।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ