সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, প্রাণ গেল বিচারকের মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসিতে ফেল ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, মিললো পরিচয় ‘শাসকদের সঙ্গে আলেমদের সৌজন্য ও আন্তরিকতা বাড়ুক, ক্ষতি কী’ খুলনায় চলছে আস-সুন্নাহর পাঁচ দিনের ইমাম প্রশিক্ষণ কর্মশালা এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফল আজ, জানবেন যেভাবে শুধু সরকার বদল নয়, রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে: আমিরে মজলিস হাটহাজারী মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

নতুন বইয়ে মুখ খুললেন বিচারপতি সিনহা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার লেখা আত্মজীবনীমূলক একটি বই বের হয়েছে। তবে  সিনহার লেখাটি বইটি। এর মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। সর্বমহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল’, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শিরোনামের বইটি ১৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার অ্যামাজনে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

অ্যামাজন বইটির একটি ক্ষুদ্র অংশ প্রকাশ করেছে, যেখানে বিচারপতি সিনহা দাবি করেন, ২০১৭ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কারণে বর্তমান সরকার তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। ওই রায়ের মাধ্যমে তিনি বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে যাওয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন।

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা তার বইতে লিখেছেন, ‘২০১৭ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে একটি ঐতিহাসিক রায় দেওয়ার পর বর্তমান সরকার আমাকে পদত্যাগে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকদের সর্বসম্মত ওই রায়ে রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবণতা নিয়ে আমি যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছি, সেটি দেশের মানুষ ও সুশীল সমাজ ভালোভাবে গ্রহণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ভালো গুরুত্ব পায়।’

এস কে সিনহা তার বইয়ে লিখেছেন, ‘আমি আমার সরকারি বাসবভনে বন্দী ছিলাম। আইনজীবী এবং বিচারপতিদেরকে আমার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। মিডিয়াকে বলা হয়েছে আমি অসুস্থ এবং আমি চিকিৎসা ছুটি চেয়েছি। কয়েকজন মন্ত্রী বলেছেন আমি চিকিৎসা ছুটিতে বিদেশে যাব। ১৪ অক্টোবর, ২০১৭ আমাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার সময় আমি একটি বিবৃতি দিয়ে সবার কাছে পরিষ্কার করতে চেয়েছিলাম যে আমি অসুস্থ নই এবং চিরতরে দেশও ত্যাগ করছি না।’

বিচারপতি সিনহা দাবি করেছেন, এরপর তার পরিবার ও স্বজনদের ভয়-ভীতি দেখানোয় তিনি বিদেশে থাকতেই পদত্যাগপত্র জমা দেন।

সম্পূর্ণ ফিতে নিন অ্যাকাউন্টিং ও ইনভেস্টরি সফটওয়ারEcommers-cover-bsofty

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ