আওয়ার ইসলাম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ-আল-হারুন জানিয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে হাসপাতালে ভর্তি করার মতো কোনো অবস্থা মেলেনি।
বুধবার শহিদুল আলমকে হাইকোর্টের আদেশে হাসপাতালে নেয়ার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল্লাহ-আল-হারুন বলেন, ‘আমাদের মেডিকেল বোর্ড তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছে। তাকে ভর্তি করার মতো অবস্থা দেখিনি।
তিনি আরো বলেন, ‘উনার স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফল আমরা আগামীকাল পাব।’ নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের করা আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা এ মামলায় এই আলোকচিত্রী ডিবি হেফাজতে সাত দিনের রিমান্ডে আছেন।
এর আগে শহিদুল আলমের ৭ দিনের রিমান্ড চ্যালেঞ্জ ও তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।
আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া, ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট তানিম হোসেন শাওন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
রমনা থানায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা একটি মামলায় দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলমকে গতকাল (সোমবার) নিম্ন আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করে ডিবি পুলিশ। শুনানি শেষে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহিদুল আলমকে তার বাসা থেকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।