হামিম আরিফ: নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে শরিক হয়েছেন কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীরাও। কোথাও ব্যানার ফেস্টুন কোথাও বা মূল আন্দোলনের সঙ্গে মিশে সড়ক সংস্কারে কাজ করতে দেখা গেছে তাদের।
অনেক স্থানেই আবার মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দেখা গেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের খাবার বিলানোর ভূমিকায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ব্যানারে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন করে প্রেসক্লাবে। মানববন্ধনে অসংখ্য শিক্ষার্থী জড়ো হয়। তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন।
এর আগে একই দিন দুপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের অঙ্গ সংগঠন যুব জমিয়ত মানববন্ধন করে প্রেস ক্লাবের সামনে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে এতেও অসংখ্য শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়। তাদের কণ্ঠেও ছিল নিরাপদ সড়কের দাবি ও সড়কে মৃত্যু মিছিল বন্ধের আহ্বান।

গত রোববার ঢাকার কুর্মিটোলায় একটি বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর বিক্ষোভ শুরু হয়। শুরুতে ক্যান্টেনম্যান্ট রমিজউদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলনে থাকলেও ধীরে ধীরে অন্য কলেজও যুক্ত হয়।
রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক থেকে ছড়িয়ে পড়ে মিরপুর, মতিঝিল, মালিকাগ, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডী সর্বত্র।

প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভের বসে গাড়ি ভাংচুর করলেও পর দিন থেকে তারা শেখাতে থাকেন কিভাবে সুষ্টুভাবে সড়ককে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। লেন মেনে গাড়ি চালানো যায়। কিভাবে নিরাপদ চালক হওয়া যায়।
শিক্ষার্থীদের এমন অদ্ভুত নিয়ম শেখানোর ক্ষমতা দেখে অভিভূত হয় দেশের সব মানুষ। তারা শিক্ষার্থীদের অভিভাদন জানাতে থাকেন। পর্যায়ক্রমে এ আন্দোলনে সমর্থন দেন অন্যান্য গোষ্ঠি-সমাজ।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত চার মাসে ১ হাজার ৮৭১টি সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২ হাজার ১২৩ জন এবং আহত ব্যক্তির সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৮।
২০১৭ সালের তুলনায় এই চার মাসে দুর্ঘটনা বেড়েছে ১.০৬ শতাংশ, নিহতের সংখ্যা বেড়েছে ১.৪৪ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ৮.৩১ শতাংশ।
সংগঠনটির দেয়া তথ্য অনুযায়