বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক লিটার তেলও বের হতে দেব না: ইরান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বেতন ও কর্মদিবস কমাল পাকিস্তান আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য

এক সপ্তাহে পদ্মা গিলেছে ৩০০ বাড়িঘর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ৫টি গ্রাম। গত এক সপ্তাহে ডুবেছে ৩০০ বসতভিটা। রামকৃষ্ণপুর, কদমতলী, উজানকান্দি, বড় বাহাদুরপুর, ছোট বাহাদুরপুর এ পাঁচটি গ্রামে মূলত আঘাত হেনেছে পদ্মার ঢেউ।

গ্রামগুলোর স্কুল, মাদরাসা, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

বাড়িঘর ভেঙে পদ্মার ঢলে ভেসে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও অভাব দেখা দিয়েছে ভাঙনে বিপর্যস্ত মানুষের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন বাড়ির উঠান, গাছপালা সব নদীর প্রবল ঢেউ ভেঙে ভেঙে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা হুড়মুড় করে উঠেই ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র সরাতে শুরু করেন। পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র চলে যেতে থাকেন। কেউ আবার বাড়ির মায়ায় স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন।

ছোট বাহাদুরপুরের দিন মজুর হারেজ আলী বলেন, রান্নাঘর, টয়লেট সব ভেঙে গেছে। এ অবস্থায় যেসব বাড়িঘরের কিছু অংশ এখনো রয়ে গেছে সেগুলোতেও রান্না করা, টয়লেটে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ছে।

ভাঙনের কবলে পড়া প্রতিটি গ্রামেই মানুষজন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মখীন হয়েছে। অক্ষত বাঁশঝাড়, মাঠ বা পাকা রাস্তায় জায়গা নিচ্ছেন অনেকেই। মসজিদ, মাদরাসা ও পাকা স্কুলেও উঠছেন কেউ কেউ।

দ্রুত কোনো ব্যবস্থা না নিলে আগামী এক সপ্তাহে ক্ষয়ক্ষতি দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নদীতীর বসবাসরত মানুষ সবসময় ভাঙনে হুমকিতে থাকেন। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মানসহ যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে অবস্থা আরো করুণ হবে বলে তারা দাবি করছেন। তারা এ ব্যাপারে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আর্জেন্টিনায় বাস করে প্রায় ৮ লাখ মুসলিম

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ