বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ।। ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক লিটার তেলও বের হতে দেব না: ইরান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বেতন ও কর্মদিবস কমাল পাকিস্তান আইজিপির সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ইরানে আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলায় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে’ যে কারণে কওমি মাদরাসা আপনার জাকাত ও দানের বেশি হকদার যুব সংগঠক আমিনুল ইসলাম সাদীকে জাতীয় পদকে ভূষিত করার দাবি ‘নিরাপদ অভিবাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আলেমরা’ নানুপুর মাদরাসায় ৪০ দিনের ইতেকাফে প্রায় তিন হাজার মুসল্লি শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর টেকনাফে কওমি পড়ুয়া আব্দুল্লাহ সাঈদের ধারাবাহিক সাফল্য

তিস্তার পানি বাড়ায় আতঙ্কে এলাকাবাসী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম:  উজানের ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। গত তিন দিনে নীলফামারীর ডালিয়ার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বৃষ্টি ও উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ সেন্টিমিটার। এতে বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

এই পয়েন্টে নতুনভাবে বিপদসীমার পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২.৬০ মিটার। রবিবার তিস্তা নদীর প্রবাহ বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বৃদ্ধির কারণে দেশের সর্ববৃহৎ তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

এদিকে পলিতে ভরাট হয়ে যাওয়া তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলা ও লালমনিরহাট জেলার চরবেষ্টিত বিভিন্ন গ্রামে নদীর পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

তিস্তা অববাহিকার জনপ্রতিনিধিরা জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধি মানেই উজানে ভারী বৃষ্টি ও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, রবিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৫২ দশমিক ২০ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। যা সকাল ৯টায় আরও ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়।

সূত্রমতে, শনিবার এই পয়েন্টে সকাল ৬টায় ৫২ দশমিক ১০ মিটার ও শুক্রবার ৫১ দশমিক ৯৫ মিটারে পানি প্রবাহ ছিল। এছাড়া রবিবার ডালিয়া পয়েন্টে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ মিলিমিটার।

তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা পরিবেষ্টিত টেপাখাড়িবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, খগাখড়িবাড়ি, পূর্ব ছাতনাই, নাউতারা, জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৌলমারীসহ আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের বসবাসরত পরিবারগুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

যেভাবে কাটে আল্লামা আহমদ শফীর ঈদ ও রমজান


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ