সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

পাহাড় থেকে সরিয়ে আনা হলো তিন শতাধিক পরিবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইকবাল আজিজ, টেকনাফ প্রতিনিধি

প্রবল বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা কক্সবাজার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক পরিবারের প্রায় দু’হাজার মানুষকে রাতেই সরিয়ে এনেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার রাত ১০টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনে চারটি দল এসব মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনে। তাদেরকে স্ব-স্ব এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখা হয়েছে।

সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট সেলিম শেখ জানান, বুধবার রাতে কক্সবাজার পৌরসভার ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ ও ১২ নং ওয়ার্ডের বিজিবি ক্যাম্প, পল্লান কাটা, সাহিত্যিকা পল্লী, সবুজ বাগ, পাহাড়তলী, ইসলামপুর, বাঁচামিয়ার ঘোনা, বাদশাঘোনা, ঘোনারপাড়া বৈদ্যঘোনা, মোহাজের পাড়া, ডিসি পাহাড়, লাইট হাউজ ও কলাতলী সহ শহরের পাহাড়ে ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী তিনশতাধিক পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এসব পরিবারের প্রায় ২ হাজার মানুষ রয়েছে।

কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিম উদ্দীন জানান, ৯ জুন থেকে কক্সবাজারে টানা বর্ষণ চলছে। গড়ে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসের শংকা রয়েছে। তাই জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চারটি দলে বিভক্ত হয়ে রাতেই ঝুঁকিপূর্ণদের সরিয়ে আনার অভিযানে নামেন।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, পাহাড় ধসে যাতে হতাহতের ঘটনা না ঘটে সেজন্য ৯ জুন থেকেই প্রশাসন সতর্কাবস্থানে ছিল। বার বার গণবিজ্ঞপ্তি এবং মাইকিং করে ঝঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু তারা নিরাপদ আশ্রয়ে যায়নি। তাই বুধবার রাতে তাদের অভিযান চালিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

তাদের জন্য স্ব স্ব এলাকায় অবস্থিত প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য ইফতার ও সেহেরীর জন্য রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং শিশু খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

বায়তুল মুকাররমে ৫টি ঈদ জামাত; ইমামতি করবেন যারা

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ