বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১২ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামিয়া মুহিউস সুন্নাহ আজমপুর-এ নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি শুরু চট্টগ্রামে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের জরুরি বার্তা ‘ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না’ বাস দুর্ঘটনায় হতাহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা খেলাফত মজলিসের স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন: জমিয়ত বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’

সেহরি খাওয়া অবস্থায় আযান হয়ে গেলে কী করবেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  ফজরের আযান পর্যন্ত সেহরি খাওয়া যায় এমন একটি কথা জনসাধারণ্যে প্রচলিত আছে। মুলত অনেকটা একারণেও অনেকেই সময়ের প্রতি লক্ষ্য না রেখে আযান পর্যন্ত সেহরি খেতে থাকেন।

এমতাবস্থায় ফজরের আযান হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করে পুরো দিন যথারীতি রোযা পালন করতে হবে। তবে শেষ সময়ের পর ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে অথবা ভুলক্রমে পানাহার করায় রোযা ভঙ্গ হয়েছে।

তাই এই রোযাটি রমযানের পর পুনরায় কাযা আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু আযান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাযার সঙ্গে কাফফারাও আদায় করতে হবে। যেহেতু প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোযা ভাঙ্গা হয়েছে।

জানা আবশ্যক যে, আযান কখনও সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না। আযান ফজরের ওয়াক্ত আসারও একটু পরে দেওয়া হয়। কারণ সেহরির সময় বাকি থাকলে ফজরের ওয়াক্ত হয় না। আর ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দিলে আযান আদায় হবে না।

মনে রাখতে হবে, আযান হলো ফজরের নামাযের জন্য, সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য নয়। তাই সেহরি তার আগেই বন্ধ করতে হবে। উল্লেখ্য, হাদিস শরিফে যে আযানের পরও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আযান, ফজরের আযান নয়, যার প্রচলন এখনও মক্কা ও মদিনায় রয়েছে।-সুত্র: ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী।

আরও পড়ুন : সেহরীর সময় মানুষকে জাগাতে কুরআন পাঠ ও বারবার ইলান করার হুকুম কী?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ