বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১২ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

মৃত্যু কামনা করা কী বৈধ ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতা হাসিন: মৃত্যু সবার কাছেই একদিন আসবে। তারপরও মানুষ বিভিন্ন কারণে অধৈর্য হয়ে যায়। অধৈর্য হয়ে মানুষ নিজেদের মৃত্যু কামনা করে থাকে।

আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে ধৈর্য ধারণ সম্পর্কে অনেক আয়াত নাজিল করেছেন। অনেক সময় মানুষ নানা কারণে ধৈর্য হারিয়ে আল্লাহর কাছে মৃত্যু কামনা করে থাকে; যা কোনো ভাবে কাম্য নয়।

হাদিসে মৃত্যু কামনা করাকে অবৈধ বলেছেন। মৃত্যু কামনা করতে নিষেধ করেছেন। আর মৃত্যু কামনা নিষেধ করার মূল কারণও বলেছেন রাসূল সা.

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কারণ সে যদি সৎকর্মশীল লোক হয়, তবে (বেঁচে থাকলে) হয়ত সে নেকির কাজ বৃদ্ধি করবে। আর যদি অন্যায়কারী (পাপী) হয়, তাহলে হয়ত সে তাওবা করবে (দ্বীনের পথে ফিরে আসবে)।’ (বুখারি)

হাদিসের আলোকে বুঝা যায়, মানুষ সৎকর্মশীল হোক আর পাপী হোক; কারো জন্যই মৃত্যু কামনা করা কল্যাণকর নয়। কারণ উভয়ের জন্য বেঁচে থাকায় কল্যাণের পথ খোলা থাকে। তাছাড়া আল্লাহ ও তাঁর রাসুল মানুষের প্রতি কতটা মায়াশীল তাও এ হাদিস থেকে বুঝা যায়। আল্লাহ থেকে ধৈর্য ধরার জন্য আমাদের তাওফিক কামনা করা চাই।

আরো পড়ুন- সৌদি বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ