বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১২ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

চেহারা অসুন্দর আলেম-পাত্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে কি গুনাহ হবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জিজ্ঞাসা: কোনো মেয়ের যদি হাফেজ-আলেমের সাথে সমন্ধ ঠিক হয় কিন্তু ছেলের চেহারা দেখে পছন্দ না হয় তাহলে কি মেয়েটি বিয়েতে নারাজ হতে পারে বা এতে কি গুনাহের সম্ভাবনা আছে?

জবাব: না। গুনাহ হবে না। কেননা, বর-কনে একে অপরকে পছন্দ করা শরিআত অনুমোদিত একটি প্রয়োজন। এই প্রয়োজন ইসলামে স্বীকৃত। এজন্য ইসলাম কেবলমাত্র বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই বর-কনে একে অপরকে দেখার অনুমতি দিয়েছে। এর দলীল হচ্ছে-রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বাণী-

لا تُنْكَحُ الأَيِّمُ ( وهي التي فارقت زوجها بموت أو طلاق ) حَتَّى تُسْتَأْمَرَ ( أي يُطلب الأمر منها فلا بدّ من تصريحها ) وَلَا تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ ( أي حتى توافق بكلام أو سكوت ) قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ إِذْنُهَا ( أي لأنها تستحيي ) قَالَ أَنْ تَسْكُتَ

“স্বামীহারা নারীকে (বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্তা) তার সিদ্ধান্ত জানা ছাড়া (অর্থাৎ সিদ্ধান্ত তার কাছ থেকে চাওয়া হবে এবং তাকে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে) বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারী মেয়েকে তার সম্মতি ছাড়া (কথার মাধ্যমে অথবা চুপ থাকার মাধ্যমে) বিয়ে দেয়া যাবে না।

লোকেরা জিজ্ঞেস করল,ইয়া রাসুলুল্লাহ ﷺ ! কেমন করে তার সম্মতি জানব? (যেহেতু সে লজ্জা করবে)। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, চুপ করে থাকাটাই তার সম্মতি।” (সহিহ বুখারি ৪৭৪১)

তবে বিয়ের ক্ষেত্রে সৎ ও দ্বীনদার পাত্র নির্বাচন করা কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে কোনরূপ ছাড় দেয়া জায়েয নয়। কেননা, রাসূলুল্লাহ ﷺ ছেলেকে যেমন দ্বীনদার মেয়ে পছন্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন ঠিক তেমনি মেয়েকে ও মেয়ের পরিবারকে দ্বীনদার ছেলে পছন্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

إِذَا خَطَبَ إِلَيْكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ دِينَهُ وَخُلُقَهُ فَزَوِّجُوهُ ، إِلَّا تَفْعَلُوا تَكُنْ فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ عَرِيضٌ

“তোমরা যে ছেলের দ্বীনাদারি ও চরিত্রের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হতে পার সে যদি প্রস্তাব দেয় তাহলে তার কাছে বিয়ে দাও। যদি তা না কর তাহলে পৃথিবীতে মহা ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হবে।” (জামে’ তিরমিযী ১০৮৪)

উত্তর দিয়েছেন মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী

সূত্র: কুরআনের জ্যোতি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ