বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘লেখাপড়ার আগে আমরা ছাত্রদের আখলাক শেখাই; তাই অনৈতিক চিন্তার সুযোগ নেই’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বছরে দুটি ইসলাহি ও ইসলামি মজমা বসে থাকে বরিশালের কীর্তনখোলার তীরে চরমোনাই ময়দানে। আর চরমোনাই অঞ্চলটি এ মজমার জন্যই জনসমাজে সমাদৃত। তবে এ সমাগমের পাশাপাশি রয়েছে বিশাল দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যেগুলো লেখাপড়া ও আদর্শের দিক থেকে ইলমি অঙ্গনে প্রশংসিত।

একটি চরমোনাই জামিয়া রশিদিয়া আহছানাবাদ (কওমি) মাদরাসা, আরেকটি চরমোনাই কামিল মাদরাসা। আলিয়া মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন লাখো মানুষের আধ্যাত্মিকগুরু সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক রহ. ও কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সৈয়দ ফজলুল করীম রহ.।

সময়ের পরিবর্তনে তারা আজ স্মৃতির পাতায়। আর তাদের রেখে যাওয়া প্রাণের প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বে আছেন তাদেরই রেখে যাওয়া উত্তরসূরিগণ।

চরমোনাই কামিল মাদরাসার বর্তমান প্রিন্সিপাল সৈয়দ মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী। যিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ‘র প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নায়েবে আমির ও বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষাবোর্ডের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

পাশাপাশি গড়ে ওঠা তাদের ভিন্নধর্মী দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লেখাপড়ার অবস্থা, বর্তমান শিক্ষাপরিক্রমায় প্রশ্নফাঁসের হিড়িক, বাংলাদেশে শিক্ষা সিলেবাসের গ্রহণযোগ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে টিম আওয়ার ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রাজ্ঞ এ শিক্ষাবিদের।

সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন নজরুল গবেষক কবি মহিউদ্দিন আকবর, কবি মুনীরুল ইসলাম ও আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক কাউসার লাবীব

আমাদের উপমহাদেশে বিশেষ করে আমাদের দেশে আলিয়া ও কওমি মাদরাসার মধ্যে একটি নীরব দ্বন্দ্ব দেখতে পাই। কিন্তু আপনাদের এখানে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। আলিয়া ও কওমি মাদরাসার দুটি ভবন দাঁড়িয়ে আছে পাশাপাশি। একসঙ্গে ভিন্নধারার দুটি মাদরাসা পরিচালনা করতে আপনাদের ভিন্ন কোনো বেগ পোহাতে হয় কিনা?

আমাদের মাদরাসাদুটি এমনভাবে পরিচালনা করা হয়, যেখানে আপনি বুঝতে পারবেন না কে কওমি মাদরাসার ছাত্র কে আলিয়া মাদরাসার ছাত্র। আমার আব্বাজান বলেছিলেন, আমি যদি বেঁচে থাকি তাহলে একটি ভার্সিটি করে দেখিয়ে দিবো- ‘ভার্সিটি মানেই অনৈসলামিক ক্যাম্পাস নয়। কিন্তু মাওলা পাক তাকে এর আগেই তার কাছে নিয়ে গেছেন।

আমাদের এখানে যেহেতু ছাত্রদের আমরা গোড়া থেকেই ইসলামিক মনন দিয়ে গড়ে তুলি তাই তারা তাদের মাঝে আলিয়া কওমি নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব কাজ করে