বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

জেরুসালেম সফরে খলিফা ওমর রা. যে কারণে রেগে গিয়েছিলেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাকারিয়া হারুন :  ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ। চারদিকে মুসলমানদের জয় জয়কার। মুসলমানদের আদর্শে অভিভূত হয়ে ইসলামে দীক্ষিত হচ্ছে অন্য ধর্মের মানুষ। এ সময় জেরুসালেমেও মুসলমানদের অধিকারে আসে। জেরুসালেমের দায়িত্বে ছিলেন যাজক সোফ্রোনিয়াস।

তিনি বাইজেন্টাইন সরকারের প্রতিনিধি ও স্থানীয় খ্রিস্টান গীর্জার প্রধান যাজক। সেনাপতি খালিদ ইবনে ওয়ালিদ রা. এবং আমর ইবনুল আস রা. এর নেতৃত্বে জেরুজালেম মুসলমানদের অধিকারে আসে। তারা খলিফাতুল মুসলিমীন হযরত ওমর রা.-এর কাছে আত্মসমর্পণ করবে। তাছাড়া অন্য কারো কাছে আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকৃতি জানান।

এমন পরিস্থিতিতে হযরত ওমর রা. তার এক ভৃত্যকে সঙ্গে নিয়ে জেরুজালেমের পথে রওনা দেন। দুজনের যানবাহন ছিল একটি মাত্র উট। তাই পালা করে ওমর রা. এবং ভৃত্য উটে চড়তেন। ওমর রা. যখন উটে চড়তেন তখন ভৃত্যটির হাতে থাকত উটের রশি আর ভৃত্যটি যখন উটে চড়তেন তখন ওমর রা. এর হাতে থাকত উটের রশি। এভাবেই তারা জেরুজালেমের কাছে পৌঁছেন।

অবস্থা হলো এই ওমর রা. জেরুজালেম শহরে প্রবেশের দাড়প্রান্তে। ২২ লক্ষ বর্গ মাইলের বিশাল সা¤্রাজ্যের খলিফাতুল মুসলিমীনের হাতে উটের রশি। উটের উপর বসে আছেন ভৃত্য। ওমর রা. এর গায়ে অতি সাধারণ জামা। চৌদ্দটি তালি জামায়!

মুসলিম বাহিনীর সেনাপতি আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রা. খলিফাতুল মুসলিমীনের গায়ে অতি সাধারণ, চৌদ্দটি তালিযুক্ত জামা। উটের রশি ধরে টানছেন মুসলিম বিশ্বের খলিফা। আর ভৃত্য বসে আছেন উটের উপর। এটা দেখে রোমানরা কি মনে করবে!

এসব ভেবে তিনি বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! আমরা এমন এক জায়গায় আছি, যেখানের লোকেরা চাকচিক্য পছন্দ করে। মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য্য দেখে মানুষের মর্যাদার বিচার করে। তাই আপনি যদি একটু ভালো পোষাক পরতেন। তাহলে তা কতই না উত্তম হতো ! হযরত ওমর রা. আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রা. এর কথায় রেগে গেলেন।

তাঁর বুকে আঘাত করলেন। আর বললেন, আমি তোমার পক্ষ থেকে এই কথাগুলো আশা করিনি। এরপর হযরত ওমর রা. বললেন,“আমরা হচ্ছি সেই জাতি যাদের মহান আল্লাহ ইসলাম দ্বারা সম্মানিত করেছেন। আমরা যদি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন উপায়ে সম্মান খুঁজি তাহলে মহান আল্লাহ আমাদের অসম্মানিত করবেন”। আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ