বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২০ বছর, শান্তি ফেরেনি পাহাড়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আজ শনিবার পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২০তম বার্ষিকী। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের প্রথম মেয়াদে সরকার এবং পাবর্ত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ বাণী দিয়েছেন।

শান্তি চুক্তির ২০ বছর পূর্তি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং এর নেতৃত্বে আগামীকাল সকাল ৮ টায় ধানমন্ডি ৩২নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ঐতিহাসিক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধম্যে তিন পাবর্ত্য জেলায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে।সে সময়ের সরকারের পক্ষে জাতীয় সংসদের তৎকালীন চীফ হুইপ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ্ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লার্মা ওরফে সন্তু লার্মা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

শান্তি চুক্তির ২০ বছর বছরে প্রশ্নটা আরো বড় হয়ে উঠছে আসলেই কি পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে। শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ব্যাপারে সন্তু লারমার রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে সরকারের তরফ থেকেও।

গণ্যমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী শান্তি চুক্তির পর থেকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সামাজিক অপরাধের বাইরে তিন পার্বত্য জেলায় খুন হয়েছে ২ হাজার ১৯৯ জন মানুষ। অপহৃত হয়েছে আরো ২ হাজার ৩৯২ জন। নিহতদের অধিকাংশই বাঙালি। বাঙালিরা খুন হয়েছেন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও চাঁদাবাজির জের ধরে এবং অধিকাংশই পাহাড়িদের হাতে। নিহতদের এক-তৃতীয়াংশ পাহাড়ি। তন্মধ্যে অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে পাহাড়িদের নিজস্ব আন্ত-কোন্দলের কারণে।

স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যম সুত্রে জানা যায়, শান্তি চুক্তি হলেও তিন পার্বত্য জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী পাহাড়ি এলাকার দুর্গম অঞ্চল থেকে সেনা ক্যাম্পগুলো প্রত্যার করার পর থেকে পাহাড়িদের মধ্যে অপরাধ প্রবনতা আরো বেড়ে গেছে। আগে যেখানে পাহাড়িদের কাছে জনপ্রতি অস্ত্র ছিল না বর্তমানে সেখানে প্রত্যেক