বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

মাদরাসা কী রাসুল সা. এর ঘর?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা রাসূলের ঘর।’ কথাটি কোনো কোনো ওয়াজ মাহফিলে শোনা যায়; কখনো কখনো বলেন, মসজিদের ইমাম ও মাদরাসার শিক্ষক। অনেকে একটি আরবি উদ্ধৃতিও ব্যবহার করেন,  المسجد بيت الله والمدرسة بيتي ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা আমার ঘর।’

কিন্তু আসলে কি দাবি করা যায়, ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদরাসা রাসুলের ঘর’?

এখানে লক্ষণীয় যে, উপরোক্ত কথায় দু’টি বাক্য রয়েছে। প্রথম বাক্যটি হল, ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর’। এটি কুরআন ও হাদীস দ্বারা সমর্থিত । প্রায় এর কাছাকাছি শব্দ বিভিন্ন হাদীসেও বর্ণিত হয়েছে।

কিন্তুদ্বিতীয় বাক্য অর্থাৎ ‘মাদরাসা রাসূলের ঘর’ এটি কোনো হাদীস নয়। কেউ এটাকে হাদিস হিসেবে বললে ঠিক হবে না। তবে এটাও ঠিক ‘মাদরাসা’ যেখানে দীনি তালিম-তরবিয়ত হয়, কুরআন-হাদিসের শিক্ষা দেয়া হয়, আল্লাহ ও রাসূলের কথা আলোচনা হয় তা নিঃসন্দেহে বরকতময় স্থান।

এ সকল স্থান ফেরেশতারা ঘিরে রাখেন এবং সেখানে আল্লাহর রহমত ও সাকিনা (প্রবৃদ্ধি ও শান্তি) অবতীর্ণ করেন।

অতএব ঐসব ঘরও আল্লাহ ও রাসূলেরই ঘর। কিন্তু তাই বলে ‘মাদরাসা রাসুলের ঘর’ বাক্যটিকে হাদিস হিসেবে বলার সুযোগ নেই। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাটি বলেছেন তার কোনো প্রমাণ নেই। আর মসজিদ-মাদরাসার মধ্যে এভাবে বিভাজনও অনুচিত।

সূত্র :  মাসিক আল কাউসার


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ