সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামান প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, জনতা ব্যাংকের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের চুক্তি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি হালাল খাবার ও ধর্মীয় অনুশাসনসম্মত পরিবেশে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে ওএসডি ১২ শিক্ষার্থীর জন্য ১২ শিক্ষক, তবু পাস করল না কেউ এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করায় উদ্বেগ মিজানুর রহমান আজহারীর জুলাই জাদুঘরে হেফাজতের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি পীর সাহেব দেওনার তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা ঐক্যে যোগ দিতে পারে আরও যেসব দেশ এসএসসিতে রাশাদ একাডেমির সাফল্যের ধারা অব্যাহত

সেনারা মায়ের পেট কেটে বাবুকে বের করে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইকবাল আজিজ, টেকনাফ প্রতিনিধি

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ এর ভয়াবহ বিবরণ নির্যাতিত মানুষের বয়ানিতে উঠে এসেছে। তার একটি যেনো অন্যটিকে হার মানায়। এ নির্মমতার সাক্ষী নারী, পুরুষ, শিশু কিশোর সব বয়সী মানুষ। ৭ বছরের এক শিশুর কাছে একটি বিবরণ শুনে গা শিউরে উঠলো। শিশু আয়াতুল্লাহর সে গল্প পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো।

২৭ আগস্ট কালো রাতে, সাড়ে ১০টার সময় সশস্ত্র মিয়ানমার সেনা ও বিজিপি ১০/১৫জন সদস্য আমাদের বাড়ি গিয়ে প্রথমে বাবাকে বেঁধে ফেলে। এরপর মাকে আমাদের সামনে বিবস্ত্র করে নানান নির্যাতন করে এবং এক পর্যায়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা।

তখন আমার মায়ের পেটে বাবু ছিলো। সেনারা আমার মার পেট কেটে বাবু বের করে।

তখন বাবা চিৎকার দিয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমার বাবাকে মারধর করে শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।

এরপর তারা আমাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। মা আর বাবুকে ফেলে আমি আর বাবা পালিয়ে আসি। অনেকদিন পাহাড়ে-বনে-জঙ্গলে অনাহারে অনাধারে পায়ে হেটে পৌছি কোয়াংছিবন সীমান্তে।

বাবা আর আমি আঞ্জুমানপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে আসি। বর্তমানে আমরা কুতুপালং টিভি রিলে কেন্দ্রের পশ্চিম পার্শ্বে ঝুঁপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছি।

বাবা আর আমি ছাড়া আর নেই পরিবারে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তার সাথে দেখা হয় টিভি রিলে কেন্দ্রে সামনে অন্যান্য রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে খেলার ছলে।

তার বাবার নাম মোঃ শামশুল আলম, মায়ের নাম ছিল দিলবাহার। তারা মিয়ানমারের বলিবাজার ধুমবাই এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার অনেক ধন সম্পদ ছিল মিয়ানমারে কিন্তু সেদিকে না থাকিয়ে কোন রকম জীবন রক্ষার্থে আমরা বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ