বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাঙ্গলকোটে মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে দাওয়াহ ক্যাম্প, পুরস্কৃত মেধাবী শিক্ষার্থীরা ‘নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় সবারই দায়িত্ব রয়েছে’ হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৬) দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণ বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জার্মানি উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘অর্ণব’, দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত সাংস্কৃতির অন্ধানুকরণ ও আমাদের ধর্মীয়চর্চা ইরানের মধ্যস্থতায় হামলা বন্ধে হুতিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা জাফর ইকবালসহ ৫ আসামিকে আত্মসমর্পণে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

সেনারা মায়ের পেট কেটে বাবুকে বের করে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইকবাল আজিজ, টেকনাফ প্রতিনিধি

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ এর ভয়াবহ বিবরণ নির্যাতিত মানুষের বয়ানিতে উঠে এসেছে। তার একটি যেনো অন্যটিকে হার মানায়। এ নির্মমতার সাক্ষী নারী, পুরুষ, শিশু কিশোর সব বয়সী মানুষ। ৭ বছরের এক শিশুর কাছে একটি বিবরণ শুনে গা শিউরে উঠলো। শিশু আয়াতুল্লাহর সে গল্প পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো।

২৭ আগস্ট কালো রাতে, সাড়ে ১০টার সময় সশস্ত্র মিয়ানমার সেনা ও বিজিপি ১০/১৫জন সদস্য আমাদের বাড়ি গিয়ে প্রথমে বাবাকে বেঁধে ফেলে। এরপর মাকে আমাদের সামনে বিবস্ত্র করে নানান নির্যাতন করে এবং এক পর্যায়ে তাকে গুলি করে হত্যা করে তারা।

তখন আমার মায়ের পেটে বাবু ছিলো। সেনারা আমার মার পেট কেটে বাবু বের করে।

তখন বাবা চিৎকার দিয়ে উঠলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমার বাবাকে মারধর করে শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।

এরপর তারা আমাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। মা আর বাবুকে ফেলে আমি আর বাবা পালিয়ে আসি। অনেকদিন পাহাড়ে-বনে-জঙ্গলে অনাহারে অনাধারে পায়ে হেটে পৌছি কোয়াংছিবন সীমান্তে।

বাবা আর আমি আঞ্জুমানপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে আসি। বর্তমানে আমরা কুতুপালং টিভি রিলে কেন্দ্রের পশ্চিম পার্শ্বে ঝুঁপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছি।

বাবা আর আমি ছাড়া আর নেই পরিবারে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তার সাথে দেখা হয় টিভি রিলে কেন্দ্রে সামনে অন্যান্য রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে খেলার ছলে।

তার বাবার নাম মোঃ শামশুল আলম, মায়ের নাম ছিল দিলবাহার। তারা মিয়ানমারের বলিবাজার ধুমবাই এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার অনেক ধন সম্পদ ছিল মিয়ানমারে কিন্তু সেদিকে না থাকিয়ে কোন রকম জীবন রক্ষার্থে আমরা বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ