শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে শেষ হবে: ট্রাম্প সমাজের অনাচার-দুর্নীতি দূর করতে আত্মশুদ্ধির বিকল্প নেই: পীর সাহেব বরুণা খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলন শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে প্রতারণা ও সাংঘর্ষিক: হেফাজত সিলেটে খেলাফত যুব মজলিসের জনশক্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের নতুন কমিটি মেহফিলে উলফাত: মানিকগঞ্জে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান জাতীয় তাফসীর পরিষদের মহাসচিব আইসিইউতে, রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ওমরাযাত্রীদের জন্য ৯ ভাষায় ৩৩ লাখের বেশি সচেতনতামূলক বার্তা সৌদির শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিবের উদ্বেগ

ভারতে মুসলিমদের দুঃসময় : একটু ভাবনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুসা আল হাফিজ : আমার দেখা ভুল হোক- দেখতে পাচ্ছি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এটি অবাক হবার কিছু নয়।ভারত আর আগের ভারত নেই। আরএসএস- শিবসেনারা শুধু রাষ্ট্র নয়,সমাজেরও কন্ট্রোলার হতে চলছে।

কী হবে বিশ কোটি মুসলিমের? অভাবনীয়,অকল্পনীয়, অবিশ্বাস্য দুঃসময় আসছে... মনে রাখতে হবে, এক সময় আরাকানে মুসলিম সালতানাত ছিলো, আর আজ?

এক সময় মিন্দানাওয়ে মুসলিম শাসন ছিলো, আর আজ? এক সময় স্পেনে মুসলিম শাসন ছিলো,আর আজ?

এক সময় ইতালিতে মুসলিম শাসন ছিলো, আর আজ? এক সময় রাশিয়া ও চীনের বৃহৎ অঞ্চল শাসন করতো মুসলিমরা, আর আজ?

এক জাতি, এক সংস্কৃতি ও এক ধর্মের ভারত গড়ার প্রকল্প শুরু হয় শতাব্দিপূর্বে। এর প্রধান চিন্তক ছিলেন বাবু বঙ্কিম চন্দ্র ও কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এ প্রকল্প যখন শুরু হয়,তখন মুসলিমরা ছিলো ঘুমে।

আজ যখন চরমে, তখনও সামাজিকভাবে মুসলিমরা ঘুমেই।

দুই. ভারতের মুসলিমদের চলমান ও আসন্ন দুঃসময়কে আমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপূর্ব ইউরোপে ইহুদিদের দুঃসময়ের সাথে তুলনা করবো। খুবই ভয়াবহ ছিলো অবস্থা।কিন্তু ইহুদিরা সচেতন ছিলো গতি-প্রকৃতির প্রতি।করণীয়ের প্রশ্নে তারা জাতীয়ভাবে সজাগ। তাদের প্রধান মেধাগুলো ইহুদিদের জাতিয় স্বার্থ রক্ষায় ছিলো নিবেদিত।মার খেতে খেতে বিপন্ন ইহুদিরা হতাশ হয়ে অস্ত্র হাতে নেয় নি।পাল্টা মার দিতে যায় নি।

কারণ তারা জানতো, এতে তারা প্রতিপক্ষের তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু নিজেরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তারা বরং পরিস্থিতির মোড় বদলে দিতে শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, মিডিয়া, সাহিত্য,বুদ্ধি বৃত্তি, বিজ্ঞান ইত্যাদিতে নিজেদের শীর্ষ আসনে নিয়ে গেলো সকল প্রতিকূলতা উজিয়ে।

তারপরের ইতিহাস? যারা ছিলো তাদের শত্রু, তাদের দিয়েই তারা নিজেদের সকল কাজ উদ্ধার করালো! মুসলমানের প্রশ্নে একই ঘটনা ঘটবে, বলছি না।কিন্তু সামাজিক- রাজনৈতিক ও জ্ঞানগত প্রশ্নে মুসলিমরা একই প্লাটফর্মে এসে জাতিয় চেতনা নিয়ে সচেতন ভুমিকা রাখুক, মুসলিমদের মেধাগুলো মুসলিমদের হয়ে কাজ করুক, ভিক্ষুক থেকে নিয়ে মিলিয়নিয়ার অবধি সকল মুসলিম একই তৎপরতা ও ঐকতানে উজ্জীবিত হোক, পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করবে। এই তো আমাদের প্রত্যাশা!


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ