শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ার বাজারে কমছে চালের দাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আমদানি শুলক কমানোর প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। শুল্ক কমানো এবং বাইরে থেকে আমদানির প্রভাবে সুফল পাচ্ছে ক্রেতারা।

দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার খাজানগরে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে দুই থেকে আড়াই টাকা পর্যন্ত কমেছে।

মিল মালিক ও খাদ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চালের দাম কেজি প্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা কমে যাবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খাজানগর মোকামে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দামই কমেছে। স্থানীয় মিল মালিকরা জানান, মিনিকেট চাল মানভেদে কেজিতে দুই টাকা, স্বর্ণা, কাজল লতা, আঠাশসহ অন্যান্য চালের দামও আগের থেকে কয়েক টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মোটা চালের দাম কমেছে সব থেকে বেশি। যে চাল ১০ দিন আগেও ৪২ থেকে ৪৩ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে সেই চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা কেজিতে।

চালকলের মালিক হাজি লিয়াকত হোসেন জানান, মিনিকেট চাল ঈদের আগেও বিক্রি হয়েছে বস্তা প্রতি ২ হাজার ৩৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। সেই চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়।

এছাড়া কাজল লতা চাল বিক্রি হচ্ছে আগের থেকে ১০০ টাকা কমে ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকায়। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে চালের বাজার অনেকটা সহনীয় হয়ে যাবে, বলে মনে করেন এ চালকল মালিক।

ফোর স্টার রাইস মিলের মালিক মফিজ উদ্দিন জানান, ঈদের পর কেনাবেচা তেমন নেই। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে চালের তেমন চাহিদাও নেই। এছাড়া সরকার আমদানি শুল্ক কমানোর কারণে বাইরে থেকে চাল আসছে কম দামে।

এ চাল আসার কারণে স্থানীয় মোকামগুলো থেকে কেউ বেশি দামে চাল কিনতে চাইছে না। সপ্তাহে খাজানগর মোকামে আগের থেকে বস্তা প্রতি (৫০ কেজি) দাম কমেছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা ও কোনও কোনও ক্ষেত্রে তারও বেশি।

সদর উপজেলা খাদ্য অফিসের কর্মকর্তা একেএম শাহ নেওয়াজ জানান, চালের বাজার আগের থেকে কমতে শুরু করেছে। মোটা চালের দাম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ৩৫ টাকায় নেমে আসবে। ইতোমধ্যে দাম আগের থেকে ৪ থেকে ৫ টাকা কমেছে। এতে করে যে খাদ্য সংগ্রহ অভিযানে যারা চুক্তি করেছিল তারা অনেকটাই লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তানভীর রহমান জানান, চালের দাম দিন দিন কমছে। এতে করে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান জোরদার হবে। আমাদের যে টার্গেট আছে তা পরিপূর্ণ করতে পারবো।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ