শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক হাদিস শিক্ষায় উচ্চতর প্রশিক্ষণে তুরস্কের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শামায়েল নদভীর চুক্তি কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত নেপালের বন্যায় ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার ৯৭ বছরের বৃদ্ধা নিজ উপজেলায় সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়া নেত্রকোনার বিরিশিরিতে আঞ্চলিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে অপপ্রচার

কুমিল্লায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় ২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজপালনকারীদের নিয়ে এক স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে হাজিদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) কুমিল্লা জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান। বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা বার কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি আলহাজ আহসানুল্লাহ খন্দকার। এছাড়াও আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন সচেতন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মুফতি শেখ নাঈম বিন আব্দুল বারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লা জেলার মাস্টার ট্রেইনার মাওলানা নোমান আলমগীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে হজপালনকারীদের মধ্য থেকে অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকার দালিলুর রহমান, প্রফেসর শাহজাহান, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক দিপু, ইপিজেডের অফিসার শফিকুর রহমান সরকার, ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম, এলজিইডির অফিসার রুহুল আমিন খন্দকার এবং ভেন্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা এবং হজফেরত যাত্রীরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার নানামুখী সুযোগ-সুবিধার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে তুলে ধরেন। তারা উল্লেখ করেন যে, সরকারিভাবে যাওয়া হাজিদের জন্য হজের দিনগুলোতে আরাফাত ও মুজদালিফায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ মেট্রোরেল সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি মক্কা ও মদিনায় হারাম শরিফের কাছাকাছি মানসম্মত উন্নত মানের বাড়ি ও হোটেলে আবাসন, তিন বেলা পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাবার পরিবেশন এবং সার্বক্ষণিক উন্নত মেডিকেল বা স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয় বলে জানান তাঁরা, যা হাজিদের সফরকে অনেক সহজ ও আরামদায়ক করেছে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ