মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬ ।। ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
রমজানে বিতর নামাজ পড়ার উত্তম সময় কখন? গণভোটের জনরায়কে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা হচ্ছে: খেলাফত মজলিস কওমি থেকে পুলিশে ১০০০ কনস্টেবল নিন পরিবেশ ছাড়পত্র পেলেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে: ডিএনসিসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল  ল’ বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ  মহিলা মাদরাসায় অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ‘প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে’ রাজশাহীতে নিখোঁজ দুই মাদরাসা ছাত্র উদ্ধার ইফতার-সাহরিতে অসহায় প্রতিবেশীর খোঁজ রাখুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ

মনিরামপুরে ২০ দলের মনোয়ন দৌড়ে দাপুটে অবস্থানে মুফতি ওয়াক্কাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে দাপুটে অবস্থানে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নির্বাহী সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে মুফতি মুহাম্মদ ওযাক্কাস ও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কিছু অংশ) আসনে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন!

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরানো ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নির্বাহী সভাপতি ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে যশোর-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মুফতি ওয়াক্কাস।

১৯৮৮ সালের নির্বাচনে ওই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হন তিনি। লাঙ্গল প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মন্ত্রিসভায় স্থান পান। প্রথমে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন ওয়াক্কাস।

২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও যশোর-৫ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোটের প্রার্থী হন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। সেবার ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করেন।

২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও যশোর-৫ আসনে চার দলীয় জোট মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হন মুফতি মুহম্মাদ ওয়াক্কাস। ওই নির্বাচনে মহাজোট মনোনিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী খান মো. টিপু সুলতানের কাছে হারলেও ভোট পান ১ লাখ ৪ হাজার ৪৮৭টি।

সুতরাং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এই নির্বাহী সভাপতি মনোনয়নের জন্য বিএনপির মুখের দিকে তাকিয়ে নেই। বরং নির্বাচনী এলাকায় তার দাপুটে অবস্থানের কারণে বরাবরের মতো এবারও জোটের মনোনয়ন তার দিকে ঝুঁকে আছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস বলেন, নির্বাচন নিয়ে এখনই কিছু ভাবছি না। অনেক সময় পড়ে আছে। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন নিয়ে ভাববো।

 

সূত্র: বাংলানিউজ২৪ ডটকম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ