বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক বিকেলে আমিরকে শোকজ করা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বক্তব্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লিডারশিপ প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত জামি'আ ইকরায় উচ্চতর উলুমে হাদিস বিভাগের যাত্রা শুরু সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর

বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে কাশ্মীরের ডেপুটি পুলিশ সুপার নিহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতে জম্মু-কাশ্মীরের ডেপুটি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আয়ুব পন্ডিতকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বৃহস্পতিবার শ্রীনগরের নওহাট্টার জামিয়া মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।

ওইসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে প্রার্থনার জন্য ওই মসজিদে জড়ো হন স্থানীয় মুসল্লিরা। হঠাৎ এক ব্যক্তিকে মসজিদের বাইরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তবে শেষ রাতের দিকে যখন প্রার্থনা শুরু হয়, সেসময় ওই ব্যক্তি মসজিদের ভিতরে ঢুকে ছবি তুলতে শুরু করেন। প্রার্থনা করতে আসা কয়েকজনের চোখে পড়ে যায় বিষয়টি। মসজিদের ভিতরের ছবি কেন তুলছেন? শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ।

অভিযোগ, এর পরেই গুলি ছুড়তে শুরু করেন ওই ব্যক্তি। তার ছোড়া গুলিতে আহত হন তিনজন। প্রথমে ভয় পেলেও, পরক্ষণেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মসজিদে আসা মানুষজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপরই মসজিদ থেকে টেনে বের করে শুরু হয় গণধোলাই। তাকে বিবস্ত্র করে চলে ব্যাপক মারধর। পাথর দিয়ে থেতলে দেওয়া হয় তার মাথা। ঘটনার খবর পৌঁছতেই বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তি জম্মু-কাশ্মীরের ডেপুটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আয়ুব পণ্ডিত। তিনি কাশ্মীরের খানইয়ারের বাসিন্দা।

এই ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা মসজিদের বাইরে সাধারণ পোশাকে কেন ঘোরাঘুরি করছিলেন? কেনই বা মসজিদের ভিতরের ছবি তুলছিলেন? এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আয়ুবকে অনেকক্ষণ ধরে সন্দেহজনকভাবে মসজিদের বাইরে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। প্রথমে বিষয়টাকে খুব একটা পাত্তা দেয়নি কেউ। প্রার্থনার জন্য সকলেই তখন ব্যস্ত ছিলেন। প্রার্থনা চলাকালীন আয়ুব মসজিদে ঢুকে ছবি তুলতেই কয়েকজন প্রতিবাদ করেন। তখনই নাকি নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন তিনি।

তবে পুলিশের বিশেষ সূত্রের দাবি, জামিয়া মসজিদে মাঝেমধ্যেই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন আয়ুব। যারা প্রতিদিন মসজিদে আসতেন তাদের অনেকই আয়ুবকে চিনতেন। ওই দিনও মসজিদের নিরাপত্তার দায়িত্বেই ছিলেন ওই পুলিশ অফিসার। আরো দাবি করা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের সিকিউরিটি উইং-এর অফিসাররা সাধারণ পোশাক পরেই তাদের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু কেনো আয়ুব মসজিদের ভিতরের ছবি তুলছিলেন বিষয়টি স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সুত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ