শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা হজের মিকাত আল-জুহফায় মিলল ১৭০০-এর বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ‘বিদ্যুৎখাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপর চাপানো যাবে না’ স্মৃতির ফ্রেমে আল্লামা সুলতান যওক নদভী রহ. ‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু

বনানীর ধর্ষণ মামলায় পাঁচজনের বিরুেদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ: শুনানি ৯ জুলাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীতে বনানীর হোটেল রেইনট্রি দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সফিউল আজম  অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে বিচারক আগামী ৯ জুলাই অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
আদালতে দেয়া চার্জশিটে ধর্ষণ ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্তরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘ই-মেকার্স’ এর কর্মকর্তা নাঈম আশরাফ, ঢাকার পিকাসো রেস্তারাঁর মালিক রেগনাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাকিফ এবং সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী। চার্জশিটে সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি তিনজন ধর্ষণে সহায়তা করেছেন। চার্জশিটে ৪৭ জনকে সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত ২৮ মার্চ বনানীতে ঝালকাটির রাজাপুর আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুনের মালিকানাধীন দ্য রেইনট্রি হোটেলে দুই ছাত্রীকে আটক রেখে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৪০ দিন পর ৬ মে ওই দুই ছাত্রী বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণে গড়িমসি করায় ভারপ্রাপ্ত উপ-কমিশনার মানস কুমার পোদ্দার ও বনানী থানার ওসি ফরমান আলীর বিরুদ্ধে পুলিশ একটি তদন্ত করে।
এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জেরার মুখে পড়ে দ্য রেইনট্রি হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান হারুন ও ম্যানেজার ক্রাঙ্ক ফরগেট মামলা দায়ের পরপর পুলিশ পর্যায়ক্রমে পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার করে রিমাণ্ডে নেয়। এদের মধ্যে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ।
এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ