শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ।। ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রত্যেক শহীদের রক্তের প্রতিশোধ নেবে ইরান: মোজতবা খামেনি বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ ডিএমপির মার্চ মাসজুড়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি নিষিদ্ধ করল চীন  ‘দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ’ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ১ হাজারের বেশি শিশু হতাহত উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিশুদের মাঝে বিআরএফের ঈদ উপহার ত্রয়োদশ সংসদে শোক প্রস্তাবে নিজামী, সাঈদী, হাদিসহ বিভিন্ন নেতার নাম ত্রয়োদশ সংসদে রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার পরই হট্টগোল

আয়াতুল্লাহ রাফসানজানির ইন্তিকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rafsanjaniআওয়ার ইসলাম: ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি আয়াতুল্লাহ আলি আকবর হাশেমি রাফসানজানি আজ (৮ জানুয়ারি) বিকেলে তেহরানের তাজরিশ এলাকায় শোহাদা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। খবর ইকনা

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।  তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে।

আশির দশক থেকে ইরানের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। রাফসানজানি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ইরানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের নির্বাচনে মোহাম্মদ আহমেদিনাজাদের কাছে হেরে যান তিনি। ইরানে ধর্মীয় শাসন প্রতিষ্ঠায় রাফসানজানির অংশগ্রহণ ছিল।

রাফসানজানি ২০১৩ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ১২ সদস্যের তত্ত্বাবধায়ক পরিষদটি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে রাফসানজানিকে নির্বাচনের অনুপযুক্ত ঘোষণা করে। ২০০৫ সালের নির্বাচনে হারার পর সরকারের কার্যক্রম নিয়ে কড়া সমালোচনা করতেন তিনি। ২০০৯ সালের নির্বাচনে সংস্কারকদের সাথে গাঁটছাড়া বেঁধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। সেবার অল্প ব্যবধানে আহমেদিনাজাদ দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক কারণে কারাভোগকারীদের মুক্ত করে দেওয়ার পক্ষে ছিলেন রাফসানজানি। তিনি সব সময়ই সংবিধানের নিরিখে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাধীনতার ব্যাপারে সোচ্চার ছিলেন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ