সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৈতালী চক্রবর্তীর গ্রেপ্তার, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার এবং তার আইনজীবী সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশভাগের ষড়যন্ত্রে জড়িতদের খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান।
বিবৃতিতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি’ স্থাপনের নামে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টের অপচেষ্টা এবং চৈতালী চক্রবর্তীর হিন্দুদের জন্য ‘আলাদা প্রদেশ’ গঠনের দাবিসংবলিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। হেফাজতের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা।
চৈতালী চক্রবর্তীর বক্তব্যের তীব্র ধিক্কার নেতৃদ্বয় বলেন, “বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, অখণ্ড ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এদেশের সুদীর্ঘকালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের জাতীয় ঐক্যকে নসাৎ করতে একটি বিশেষ মহল গভীর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তার মুখে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখণ্ড খণ্ড-বিখণ্ড করে 'আলাদা প্রদেশ' দাবি করা স্পষ্টত রাষ্ট্রদ্রোহিতা। নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে।”
তারা বলেন, চৈতালী চক্রবর্তীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার একটি আন্তর্জাতিক ও গভীর দেশবিরোধী চক্রান্তের অংশ। যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি রুখতে প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান হেফাজতের নেতৃদ্বয়।
আইও