শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :

২৫ বছর বিরতিহীনভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি: মাওলানা আফেন্দী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও বিএনপি জোট মনোনীত নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, ‘একজন প্রার্থী হিসেবে নিজেকে যোগ্য দাবি করার প্রশ্নই আসে না। আমার যোগ্যতা, সক্ষমতা ও ক্যাপাবিলিটি কতটুকু তা আপনারাই নির্ণয় করে জাতির সামনে তুলে ধরবেন। আল্লাহতায়ালা যদি আমাকে কাঙ্ক্ষিত সফলতার গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেন, তাহলে সবাই আমাকে পরীক্ষা করার সুযোগ পাবেন।’

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় এলাকায় নিজ বাড়িতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আফেন্দী বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ বা রাজনৈতিক কোনো উচ্চাভিলাষ থেকে আমি এই অঙ্গনে আসিনি। ২০০১ সাল থেকে জনসেবার উদ্দেশ্যে মাঠে নামি। এরই ধারাবাহিকতায় নিজ উদ্যোগে এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ, টিউবওয়েল বিতরণ, অসহায় মানুষের গৃহনির্মাণ, সেলাই মেশিন বিতরণ, করোনাভাইরাস মহামারির সময় নানামুখী সহায়তা প্রদান, ঈদসামগ্রী বিতরণসহ অস্বচ্ছল রোগীদের জন্য স্বল্প খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছি। এভাবে টানা ২৫ বছর বিরতিহীনভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখনই বাইরে থেকে কোনো অনুদানের সন্ধান পাই, সর্বপ্রথম সেটি নিজ এলাকায় আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করি। সেই চিন্তা থেকেই যদি বৃহৎ পরিসরে মানুষের সেবা করার সুযোগ পাই, তাহলে এসব কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত ও ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যেতে চাই। মূলত এই চিন্তাধারা থেকেই আমার নির্বাচনে আসা, এর বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।’

মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, ‘আমরা সকল প্রার্থীকে সম্মান করি এবং সবার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ থাকবে। ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক যেকোনো মূল্যায়ন ও বিশ্লেষণের প্রতিই আমরা শ্রদ্ধাশীল। সব ধরনের সংবাদকে আমরা গ্রহণ করার মানসিকতা রাখি। মানুষ হিসেবে যদি কোনো ভুল করি, সেই ভুলগুলো উঠে আসবে। সেই ভুল সংশোধনের সুযোগ তৈরি হলে, সেটিকে আমি সৌভাগ্য হিসেবেই দেখি।’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি দল যাদের গায়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তকমা লাগানোর সুযোগ নেই। আমাদের অনেক সহযোগী মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধকে আমরা একটি চোখ হিসেবে দেখি এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে আরেকটি চোখ হিসেবে বিবেচনা করি।’

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ডোমার উপজেলার সভাপতি জনাব সাজ্জাদ কিবরিয়া পাপ্পু, ডোমার কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ মুফতি মাওলানা মাহমুদ বিন আলম, ডোমার প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব ও ডোমার রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ