শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ

ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও যাজকসহ ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার  ( ১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন। সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সম্মানির সঙ্গে সঙ্গে উৎসব বোনাস প্রদানের ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তিনি জানান, মসজিদে কর্মরতদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ১ হাজার টাকা করে বছরে দুবার বোনাস দেওয়া হবে।

অপরদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদান করা হবে। তবে যে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে সরকারি বা বিদেশি সংস্থার নিয়মিত অনুদান পায়, তারা আপাতত এই সুবিধার বাইরে থাকবেন।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতকে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

প্রকল্পের আর্থিক রূপরেখা বলা হয়, প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

অন্যদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং খ্রিস্টান চার্চের পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন।

এ অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ