মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ২৯ শাবান ১৪৪৭


নির্বাচন পরবর্তী ইসলামি দলগুলোর করণীয় 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইমুম সাদী

ইলেকশন পরবর্তী সময়ে ইসলামী দলগুলোতে কিছুটা অস্থিরতা চলছে। 

কেন্দ্রীয় নেতারা তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছেন। এমনকি নেতৃত্বের যোগ্যতা নিয়েও সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। 

একদিক দিয়ে এটা একটা ভালো লক্ষণ। নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় নিজেদের সামর্থ্য সম্পর্কে একটা হালকা-পাতলা আইডিয়া হয়ে গেলো সকলের। এটা আমাদের সম্মানিত নেতৃবৃন্দের জন্য পরবর্তীতে গলাবাজি করতে একটা সীমারেখা দেখিয়ে দিবে বলে মনে করি। 

আপাতত এই সময় অতিবাহিত করা জরুরি। নতুনভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি। 

এইজন্য যা করতে হবে - 

সকল পর্যায়ের কর্মীদের মনের কথা শোনার ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের ক্ষোভ এবং চাওয়া পাওয়া নিয়ে বলার ব্যবস্থা না করলে, কাউকে কিছু না বলেই এরা নিস্কৃয় হয়ে যাবে। 

দ্রুততম সময়ে কেন্দ্রীয় শুরার অধিবেশন আহ্বান করুন। শুরায় এক নম্বর এজেন্ডা থাকবে শুরা সদস্যদের বক্তব্য। তাদের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া। 

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ শুরার অধিবেশনে কিছুটা চালাকি করে এজেন্ডা সেট করেন। এক্ষেত্রে তারা সারা দেশ থেকে আগত সদস্যদের প্রশ্নোত্তরের এজেন্ডা রাখেন শেষ পর্যায়ে। 

সারাদিনের মিটিং শেষে সময় কম থাকে এবং তেমন কোনো প্রশ্নোত্তর হয়না বাস্তবিক কারণেই। এজেন্ডা গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। 

এবারের মিটিংয়ে শুরুতেই প্রশ্নোত্তরের এজেন্ডা রাখেন। 

হজরত উমর রা, কে যদি মিম্বরে খুতবার আগে প্রশ্ন করা যায় তাহলে আমাদের জলিলুল কদর নেতৃবৃন্দকে কেনো প্রশ্ন করা যাবেনা?  

নেতৃবৃন্দকে প্রশ্ন করুন। প্রশ্নে প্রশ্নে তুলোধুনো করুন। যদি করতে পারেন তাহলেই দল এগিয়ে যাবে। 

প্রত্যেক রাজনৈতিক কর্মীর একেকটা গল্প থাকে। মনের জিজ্ঞাসা থাকে। তাদের গল্পগুলো শোনার ব্যবস্থা করেন।তাদের পরামর্শ গুরুত্ব দিয়ে শোনেন ও মানেন। 

এটা না করলে আপনার দল হয়তো ঐতিহ্যবাহী দল হবে কিন্তু ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে দৃশ্যপট থেকে।

লেখক: অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ও রাজনীতিক


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ