সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বজয়ী দুই হাফেজকে বরণ করলো আওয়ার ইসলাম ​আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষ্য দিলেন সাধারণআলেম সমাজের মুখপাত্র  খাদিজা (রা.) ও বরকতময় সংসার গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর মুন্সিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানের সঙ্গে আপস নয়: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র দাখিল করলেন জহির উদ্দিন স্বপন কওমি শিক্ষার্থীদের আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ বিষয়ে পড়ার সুযোগ হেফাজতের সন্দেহ দূর করতে আলেম-উলামাদের সঙ্গে কথা বলব: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী লিংকন রাহুল গান্ধীর সভায় ১০ কোটি রুপি খরচের অভিযোগ বিজেপির

মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানের সঙ্গে আপস নয়: কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদিত মাছের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনোভাবেই খাদ্যের মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বনানীর হোটেল সারিনায় ফিশটেক বিডি লিমিটেড আয়োজিত ‘অ্যাকুয়াকালচার নলেজ ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্যপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে মানসম্মত উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি না থাকলেও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষিপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন বাড়াতে হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। এই জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী হবে। কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর অন্যতম লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করা।

গবেষকদের প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিভিন্ন সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান খুঁজতে হবে। মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করতে এমন কোনো উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে না, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

কৃষিতে ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। মাটি, পানি, আলো-বাতাস ও মানুষের জন্য ক্ষতিকর পেস্টিসাইডের ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাটি ও পানিদূষণ কমানোর কোনো বিকল্প নেই।

দেশের মাটি ও পানিতে হেভি মেটালের উপস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে জানান মন্ত্রী। পানিতে লেড ও আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান পাওয়ার পাশাপাশি চালেও হেভি মেটালের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ