রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ।। ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ আমলে নেওয়ার মতো নয়’ রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই পদোন্নতি : প্রধানমন্ত্রী ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ায় ইরানে হামলা বন্ধ রেখেছেন ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা জানা গেল এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ সৌদিকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সমঝোতা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্স চলছে, ব্যাপক সাড়া জেদ্দার জাদুঘরে দেড় হাজার বছরের ইসলামি ঐতিহ্য ইসলামী আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিকেএম কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার মজলিসে শূরার অধিবেশন অনুষ্ঠিত

ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানালেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বার্তা দেন।

তিনি লেখেন, ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্রশিবিরের নেতাদের অভিনন্দন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরও অভিনন্দন।অভিনন্দন জানাই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়া সব অংশগ্রহণকারীকে।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “শিবিরের এই বিশাল বিজয় নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই নির্বাচনের মাধ্যমে ট্যাগ দিয়ে রাজনীতি করার পরিণত পরাজয় হয়েছে। হাসিনার আমলে ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে অগণিত শিবিরকর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল।শিবির সন্দেহে পেটানোর পর পুলিশে সোপর্দ করা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। আমি সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে বারবার প্রতিবাদ করেছি, নানা হুমকি ও আক্রমণ সত্ত্বেও কখনো থামিনি।”

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি এই থিমকে কেন্দ্র করে ‘আমি আবুবকর’ শিরোনামে একটি উপন্যাস লিখেছিলেন। বইটি এক বইমেলাতেই ১১ বার মুদ্রণ করতে হয়েছিল। তখন এর কারণ বুঝিনি, এখন বুঝতে পারছি। 

শিবিরের নেতাদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানকারী সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করুন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর করুণ চিত্র তুলে ধরে আসিফ নজরুল লিখেছেন, সলিমুল্লাহ হলে জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময়ে হলের ভেতর দিয়ে যেতাম। বারান্দায় চৌকি, মশারি আর ভাঙা টেবিল-চেয়ার দেখে বস্তির মতো লাগত। ক্যান্টিন দেখে মনে হতো লঙ্গরখানা, আর রুমগুলোর ভেতরে উঁকি দিতেই ইচ্ছা হতো না। কত কিছু নেই আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, কত সমস্যা এখানে।

পরিশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফ্যাসিস্টমুক্ত এই বাংলাদেশে ঢাবির অন্তত আবাসিক শিক্ষার্থীদের কিছু গুরুতর সমস্যা আপনারা সমাধান করবেন। দোয়া রইল।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ