সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বজয়ী দুই হাফেজকে বরণ করলো আওয়ার ইসলাম ​আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষ্য দিলেন সাধারণআলেম সমাজের মুখপাত্র  খাদিজা (রা.) ও বরকতময় সংসার গুম-খুনের শিকারদের জন্য হচ্ছে আলাদা অধিদপ্তর মুন্সিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানের সঙ্গে আপস নয়: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাতে যোগদানপত্র দাখিল করলেন জহির উদ্দিন স্বপন কওমি শিক্ষার্থীদের আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ বিষয়ে পড়ার সুযোগ হেফাজতের সন্দেহ দূর করতে আলেম-উলামাদের সঙ্গে কথা বলব: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী লিংকন রাহুল গান্ধীর সভায় ১০ কোটি রুপি খরচের অভিযোগ বিজেপির

সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

গত বছর সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করেছিল ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর এ আইনে অনেক সাংবাদিক ও অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের নামে মামলা হয়। এসব মামলায় অনেকেই কারাদণ্ড ও জরিমানার শিকার হন। যা নিয়ে অনেক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিতর্কিত আইনটি বাতিলের দাবি ছিল অনেকেরই।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে। গত ৩ অক্টোবর রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম আইনটি বাতিলের প্রতিশ্রুতি দেন।

ওই দিন আসিফ নজরুল বলেন, ‘শুধু সাইবার নিরাপত্তা আইন নয়,পর্যায়ক্রমে সব কালো আইন বাতিল করা হবে।’

আর নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমি মনে করি সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা উচিত। কারণ এই আইনের সব সংশোধন করলেও মানুষের মনে সংশয় রয়ে যাবে।’

গত ৪ নভেম্বরও সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হবে বলে জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। সেদিন সচিবালয়ে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন অ্যারাল্ড গুলব্রান্ডসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা আইনটি বাতিল হবে এবং এই আইনের অধীনে থাকা সব মামলাও বাতিল হবে। এ ছাড়া মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে এমন সব আইন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংস্কারের ক্ষেত্রে স্টেক হোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ