বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

নীরবেই চলে গেলেন কবি আব্দুল কুদ্দুস ফরিদী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশিষ্ট কবি আব্দুল কুদ্দুস ফরিদী আর নেই। রোববার (৭ ডিসেম্বর) শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তাকে নিজ গ্রামেই সমাহিত করা হয়। তিনি স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

কবি আব্দুল কুদ্দুস ফরিদী ইসলামি ও ডানপন্থী কবি-সাহিত্যিকদের কাছে আলোচিত নাম। তিনি দৈনিক নয়া দিগন্ত, মাসিক মদীনা ও মুসলিম জাহানে দীর্ঘদিন প্রুফরিডার হিসেবে কাজ করেছেন। দেশের আলোচিত ও শীর্ষ কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে তাঁর ওঠাবসা ছিল। তবে আর্থিক সংকট কখনো পিছু ছাড়েনি তাঁর। শেষ জীবনে অনেকটা অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ছিলেন। এজন্য নীরবে-নিভৃতেই তিনি পরপারে পাড়ি জমান। 

বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক সমর ইসলাম খোকা ফেসবুকে কবি আব্দুল কুদ্দুস ফরিদীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে লিখেন- আমার সাংবাদিকতা বা লেখালেখির উন্মেষকালেই কবি আবদুল কুদ্দুস ফরিদীর সাথে পরিচয়। দীর্ঘদিন এক সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। কবিদের জীবন যেমন হয়। চরম অর্থনৈতিক টানা পোড়েনে কেটেছে জীবন। স্ত্রী ও চারটি কন্যা সন্তান রেখে গেছেন তিনি। নীরবে নিভৃতে ভেদরগঞ্জে সমাহিত হলেন কবি আবদুল কুদ্দুস ফরিদী। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন। সাথে আমাকেও।

কবি তাজ ইসলাম তাঁর স্মৃতিচারণ করে লিখেন- আব্দুল কুদ্দুস ফরিদীর সাথে শেষ কবে দেখা হয়েছিল মনে নাই। ১৭/১৮ বছর বা কমবেশি হবে। কোনো এক সাহিত্য সভা শেষে রাতের রমনার পাশে চায়ের স্টলে আড্ডার স্মৃতি মনে পড়ে। সেই আড্ডায় কে কে ছিল সবার নামও মনে নাই। কবি আহমদ বাসির,আফসার নিজাম, মৃধা আলাউদ্দীন, নাজমুস সায়াদাত ছিল,তাদের নাম স্মরণ করতে পারছি। তখন ফরিদী সম্ভবত দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকায় কাজ করেন। এরপর আর দেখা সাক্ষাৎ হয়নি, বা হলেও মনে করতে পারছি না।

ফরিদীর লেখার সাথে পরিচয় মাসিক মদীনায় প্রকাশিত লেখায়। মাসিক মদীনায় তার ছন্দোবদ্ধ কবিতা খুব আকৃষ্ট করতো।ফরিদী ছন্দে ও বানানে খুব দক্ষ ছিলেন। বানানের জন্য তিনি ছিলেন জীবন্ত ডিকশিনারির মতো। সব যেন তার মুখস্থ ছিল। তিনি পেশায় ছিলেন প্রুফ রিডার। দরিদ্রতা ছিল আজীবন। শেষ জীবনে আর্থিক কষ্টে দিন গেছে তার। তার আর্থিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলাম। জানি না আশানুরূপ সহায়তা পেয়েছিলেন কি না। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই সাড়া দিয়েছিলেন। আমি আর এরপর তার পাশে দাঁড়াতে পারিনি। নিজের ব্যার্থতার দায় নিতে বাধ্য আমি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কষ্টে কষ্টেই অতিক্রম করেছেন সময়। আজ সকল কিছুকে পেছনে ফেলে ফরিদী চলে গেছেন তার পরকালীন জীবনে। আল্লাহ তার সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে মকবুল বান্দা হিসেবে কবুল করুন।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ