শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২১ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সংঘর্ষে বাসের ভেতরে মোটরসাইকেল, নিহত ২ রাজধানীতে ভয়াবহ গ্যাস সংকট, কেন ঢাকার বহু এলাকায় গ্যাস নেই? আগামী নির্বাচন ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে: ফাওজুল কবির খান স্বপ্নেই চিনেছিলেন সন্তানের কবর, ডিএনএ মিলল সেই গাছের নিচেই ভারতে এবার পশু চুরির অপবাদে মুসলিম ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের গাইডলাইন’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন বিএনপি প্রার্থীর একপক্ষীয় নির্বাচনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে: পীর সাহেব চরমোনাই সিরাজগঞ্জে রেললাইনে কাঠ দিয়ে জোড়াতালি আইনুল হক কাসিমীসহ গ্রেপ্তার আলেমদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি

ইসলামি সঙ্গীতশিল্পী আইনুদ্দীন আল আজাদের চলে যাওয়ার দেড় দশক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশিষ্ট ইসলামী সঙ্গীতশিল্পী মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদের চলে যাওয়ার দেড় দশক আজ। ১৫ বছর আগে এই দিনে (১৮ জুন) নাটোরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি।

ওইদিন ছিল শুক্রবার। রাজশাহীতে একটি প্রোগ্রামে যাচ্ছিলেন তৎকালীন তুমুল জনপ্রিয় ইসলামি সঙ্গীতশিল্পী মাওলানা আইনুদ্দীন আল আজাদ। নাটোরের লালপুরে তাকে বহনকারী প্রাইভেটকারটি একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে চালকসহ তিনি মারা যান।

তিনি জাতীয় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক সংগঠন 'কলরব' এর প্রতিষ্ঠাতা। ছিলেন 'সুরকেন্দ্রে'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দামামা, অবগাহন, যদি, বদলে যাবে এই দিন, অচিন পাখী, কবর পথের যাত্রীসহ তার প্রায় ৫০টি গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। এখনো তাঁর ইসলামি গানগুলো মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।

মাওলানা আজাদ ১৯৭৭ সালের ০১ মার্চ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার হাজরাতলা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্রাম থেকেই শুরু হয় শিক্ষার হাতেখড়ি। অতঃপর দেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে তিনি অধ্যায়নের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

ছোটবেলা থেকেই ছিল তাঁর সুর ও সংগীতের প্রতি আগ্রহ। ইসলামি সংগীতের প্রতি অসামান্য ঈর্ষা ও ভালোবাসা থাকাতেই তিনি হাঁটতে শুরু করেন ইসলামি সাংস্কৃতির পথে।

যখন দেশব্যাপী অপসংস্কৃতির সয়লাব। অশুদ্ধ শব্দ ও সুরে পৃথিবী ভরাট। ঠিক তখনই তিনি কিশোর ও তরুণ সমাজের অবক্ষয় রোধে কাজ শুরু করেন। তিনি গান, বাদ্য ও উদ্দাম নৃত্য-গীতের মোকাবেলায় শুদ্ধ ও নির্মল নাশিদ-সঙ্গীত পরিবেশন করতে শুরু করেন। পাশাপাশি ওয়াজ-নসীহত, বক্তৃতাও দিতে থাকেন।

তার একনিষ্ঠ খুলুসিয়াত প্রচেষ্টার দরুণ খুব অল্পদিনের মধ্যেই তার সুর ও কথায় অসংখ্য মানুষ মুগ্ধ হয়ে যায়। দেশ-বিদেশে তার অনেক ফ্যান ফলোয়ার তৈরি হয়। হাজারো মানুষের ভক্তি ও ভালবাসায় সিক্ত হয়ে পূর্ণ উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে সামনের এগিয়ে যান। এই পথ চলার ধারাবাহিকতায় বড় গুণীজনদের পরামর্শে তৃণমূল পর্যায়ে সুস্থ সাংস্কৃতিক ভিত গড়ে তোলার ইচ্ছে পোষণ করেন। এই লক্ষ্যেই ২৮ মে ২০০৪ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কলরব’।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ