রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাদপন্থীদের ইজতেমা বন্ধের দাবি হেফাজতের রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৬ কমিটি গঠন দেশ এগিয়ে নিতে হেফাজতে ইসলামকে পাশে চান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুলাকাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কল্যাণের উপলক্ষ হবে’ দাখিলের ফল প্রকাশ আগামীকাল, জানবেন যেভাবে ‘স্বৈরাচারী আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত হয়েছে’  অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের কারণ জানালেন আমিরে মজলিস প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি

ঈদের আগে ভাতা পাবেন ৪৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্মানি ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, ঈদের আগে দেশের ৪৯০৮টি মসজিদে দেওয়া হবে সম্মানি ভাতা। এ ছাড়াও ৯৯০টি মন্দির, ৭২টি বৌদ্ধ বিহার ও ১৯৮টি গির্জায় দেওয়া হবে সম্মানি ভাতা। 

সোমবার (২ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার পরে আমাদের নির্বাচনের ইশতেহারে যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা একে একে বাস্তবায়ন করার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমাদের ইশতেহারে ঘোষণা করা হয়েছিল প্রতি মসজিদে আমরা ইমাম সাহেব, মুয়াজ্জিন সাহেব, খতিব ও খাদেম সাহেবদের সম্মানি ভাতা দেব। একইভাবে মন্দির, প্যাগোডায় যে সব ধর্মীয় ব্যক্তিরা আছেন তাদেরও আমরা সম্মানি ভাতা দেব।’

তিনি বলেন, ‘সে হিসেবে আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা একটি পাইলট স্কিম করব।
সেখানে আগামী জুন পর্যন্ত ঈদের আগেই প্রতিটি ইউনিয়নে এবং একটি করে মসজিদে খতিব সাহেবকে তিন হাজার টাকা, ইমাম সাহেবকে পাঁচ হাজার টাকা, খাদেমকে ২ হাজার টাকা করে প্রতিমাসে সম্মানি ভাতা দেওয়া হবে। ঈদের সময় প্রতিজনকে ১ হাজার করে প্রতি মসজিদে তিন হাজার ঈদ বোনাস পে করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাইলট স্কিমে ৪ হাজার ৯০০টি মসজিদ হবে ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলিয়ে। আমাদের ৯৯০টি মন্দির, ৭২টি বৌদ্ধ বিহার, ১৯৮টি গির্জায় ঈদ বোনাস পে করা হবে। এটি পাইলট প্রকল্প। যখন এটি সারা বাংলাদেশে গ্রহণ করা হবে তখন ৪ লাখের ওপরে চলে যাবে। আমরা চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এ টাকা পরিশোধ করব। জুনে পরে সারা দেশের সারে তিন লাখ মসজিদ এবং ৪৪ হাজারের মতো মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জা আছে; আগামী চার বছরের মধ্যে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানই এর আওতায় আসবে।’

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ