সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

নিজ ভিটাতেই শায়িত হলেন শহীদ হাসান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় শেষ বিদায় জানানো হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ হাফেজ মো. হাসানকে। রোববার (২৫ মে) সকালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর জব্বর ইউনিয়নে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে ভোরে হাফেজ হাসানের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন।

হাসান লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ সেলিমের একমাত্র ছেলে। ১০ বছর আগে তার বাবার মৃত্যুর পর হাসানের মা মাহিনুর বেগম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আশ্রয় নেন নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নে। বাড়ি নির্মাণের জন্য কিনেছিলেন জমি, কিন্তু সেখানেই দাফন হয় হাসানের।

জানাজায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, সুবর্ণচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আমির ইসহাক খন্দকার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালীর আহ্বায়ক আরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ হাসানের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন এবং যে কোনো প্রয়োজনে তাকে জানানোর অনুরোধ করেন।

জানাজায় জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী জেলা শাখার আমির ইসহাক খন্দকার বলেন, যারা শাহাদাতবরণ করেন তারা পরকালে সর্বোচ্চ পুরস্কারপ্রাপ্ত। দেশে আর কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে বাংলাদেশে কখনো জন্ম নিতে না পারে শহীদ হাসানের লাশকে সামনে রেখে তিনি সবার উদ্দেশে আহ্বান জানান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালীর আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে হাসানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা অনেক লজ্জিত হাসানের পরিবারের পাশে যেভাবে থাকা দরকার সেভাবে থাকতে পারি নাই। তার বাড়িতে বসতভিটা নাই। দুই বোনের এক ভাই সে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তার মা ও বোনরা ভেঙে পড়েছেন। তার নতুন জায়গায় বাড়ি করার কথা। সেখানেই নতুন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আমরা চাই তার পরিবারের পাশে সরকার থাকুক। সব প্রয়োজন পূরণ করুক।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন হাসান। চট্টগ্রাম, ঢাকা ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘ ৯ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর ২২ মে রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ