রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ।। ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৭ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
চট্টগ্রামের বন্যায় ঘরহারা ৩০০ পরিবারকে ঘর করে দেবে আস-সুন্নাহ জোট মানে নীরব সমর্থন নয়, সরকার ভুল করলে প্রতিবাদ করব: জমিয়ত মহাসচিব দাওরায়ে হাদিসের ‘তাকরির’ বিষয়ে আল-হাইআতুল উলয়ার জরুরি নির্দেশনা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় রংপুরের খতমে নবুওয়ত সম্মেলন স্থগিত মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিব, পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান সরকারকে বন্যা দুর্গতদের পাশে ত্রাণ নিয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান হেফাজতের ‘বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব’ হাফেজিয়া বোর্ড গঠনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকুন: কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের শোক

বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে ওমানে বাংলাদেশি ৪ সহোদর নিহত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কয়েকদিন বাদেই ওমান থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল তাদের। এক ভাইয়ের বিয়ের আয়োজন ঘিরে পরিবারজুড়ে ছিল আনন্দের কোমল আবহ। বিয়ের কেনাকাটা করতেই একসঙ্গে বের হয়েছিলেন এই চার সহোদর। কিন্তু সেই আনন্দ পরিণত হয়েছে শোকে। ওমানে গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের চার ভাইয়ের মরদেহ।

নিহতরা হলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বান্দারাজার পাড়া এলাকার বাসিন্দা রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। তারা সবাই ওমানে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চার ভাইয়ের মধ্যে দুইজনের দেশে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যে এক ভাইয়ের বিয়েও ঠিক হয়েছিল। বিয়ের কেনাকাটার উদ্দেশ্যে তারা একসঙ্গে বের হন। পরে ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতরে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

লালানগর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইয়াকুব জানান, ওমানে থাকা একই এলাকার বাসিন্দা বাবুর মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। বাবুর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটলেও বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়ি থেকে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির এসি চালু থাকা অবস্থায় গ্যাস লিকেজজনিত বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

ইয়াকুব আরও জানান, নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বাবু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বর্তমানে মরদেহগুলো রুস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে। পরে সেগুলো মাস্কাটে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

একই পরিবারের চার সহোদরের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ