সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

লেখায় যেসব ভুল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

|| মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী ||

সৌজন্যতা কখনও লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ।

লিখবেন সৌজন্য। মানে সুজনের কাজ। তবে সুজনতা লেখা যায়।

সৌন্দর্যতা লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ।

লিখবেন সৌন্দর্য। মানে সুন্দরতা। সুন্দরতা লেখা যায়।

দৈন্যতা লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ। শব্দটি দীনতা। শুধু দৈন্য লেখা যায়।

ঐক্যতা লিখবেন না। লিখবেন ঐক্য। মানে একতা।

মাধুর্যতা লিখবেন না। লিখবেন মাধুর্য। মধুরতা লিখা যেতে পারে। অর্থ মিষ্টতা। মিষ্টির স্বাদ।

নাব্যতা না লেখা ভালো। শুধু নাব্য লিখবেন। গভীরতা বললেও পারেন। তবে নৌযান চলার উপযোগিতা বোঝাতে নাব্য শব্দটি ছাড়া চলে না।

কেউ কেউ ইদানীং করা হই, করা যাই, বলা হই, দেওয়া হই ইত্যাদি লিখছেন।

সঠিক হলো করা হয়, করা যায়, বলা হয়, দেওয়া হয়। হই বলতে হবে নিজেকে বোঝানোর জন্য। যেমন আমি হই। আহূত ( আহবান প্রাপ্ত)  হই। মুগ্ধ হই। প্রীত হই।

মনে রাখতে হবে, মুখের বুলি যেমনই হোক, লেখা হতে হবে সঠিক নিয়মে ও বানানে। আমি হয়ে যাই, সে হয়ে যায়। আমি খাই, সে খায়। এটি বোঝা খুব সহজ।

সে হয়ে যাই। এভাবে কেন লিখেন?

একজন কয়ছে কেন লিখেন? শুদ্ধ হলো একজন কইছে।

ছাপার অক্ষর পড়া হয়না। পড়লে বুঝতেন কীভাবে কোন্ বানানটা লেখায় আসে। নিজের এলাকার উচ্চারণ লেখার মধ্যে অনেকে নিয়ে আসেন।

বলসি, করসি,দিয়েসে, বলেসে - এমন বানান ইদানীং অনেকে লিখছেন। এসব জায়গায় তো ছ ব্যবহৃত হয়।হঠাৎ স চালু হলো কেন? তবে সবাই লিখতে শুরু করলে স এর ব্যবহারও একসময় শুদ্ধ বলে গণ্য হতে পারে।

অনেকে না এর জায়গায় নাহ লিখতে শুরু করেছেন। এর দরকার কী? না মানে না। নাহ লিখে কী লাভ?

শতকরা ৯৮% জনের মতো মুহূর্ত বানানটি ভুল লিখে থাকেন। প্রায় সবাই লিখেন মুহুর্ত। এটি অশুদ্ধ। লিখতে হব মুহূর্ত।

মূল আরবি শব্দটির প্রতি খেয়াল রাখবেন, তাহলে আকাবীর লিখবেন না। লিখবেন আকাবির। মাগরীব না লিখে লিখবেন মাগরিব। মুহতামীম লিখবেন না, নিজ থেকেই লিখবেন মুহতামিম। কারণ এখানে কোনো শব্দেই ইয়া নেই, যে এক আলিফ টেনে দীর্ঘ ঈকার দিয়ে পড়তে হবে। শুধু কাসরার কারণে সব হবে হ্রস্ব ইকার।

লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, বিশ্লেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ